সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

গল্প: ম্যাডামের মেয়ে যখন বউ পর্ব-৬


  গল্প: ম্যাডামের মেয়ে যখন বউ
  পর্ব-৬

:আমি- ধরো যদি আমি কোনো দিন তোমাকে ভালোবাসার কথা না বলতাম তাহলে কি হতো।
তিশা- কি আর হতো আমি তোমার আব্বু আম্মু কাছে গিয়ে বলতাম আপনার ছেলে আমাকে ভালোবাসে,, কিন্তু আপনাদের ভয়ে আমাকে বিয়ে করছে না।আর যদি কাদের আমাকে বিয়ে না করে আমি মরেই যাবো,এই কথা বলতাম। বাবারে এই মেয়ে তো বারোটা বাজাবে।।
আমি- যদি আমি রাজি না থাকতাম তাহলে কি হতো।

তিশা- তুউ রাজি না থাকলে তোকে জোর করে ধরে বিয়ে করতাম,তুই শুধু আমার আর আমি তোর অন্য কারো দিকে নজর দিবি তো তোর খবর আছে।
আমি- কি করবা গো অন্য কারো দিকে নজর দিলে?
তিশা- কিস করমু জানু সোনা।

আমি- আচ্ছা অই দেখো একটা মেয়ে বসে আছে,আর আমি মেয়েটাকে দেখছি আহা কত সুন্দর দেখতে মন জুড়িয়ে গেলো।
তিশা- অই এটা কি হচ্চে হুম একদম চোখ গেলে দিবো এই বলে দিলাম।কুত্তা অন্য মেয়ের দিকে নজর দিবি না।আমি দেখতে পেত্নী এর মতো তবুও তুই আমার দিকে তাকিয়ে থাকবি।
আমি- তুমি না বললে অন্য মেয়ের দিকে তাকালে কি জেনো দিবা?
তিশা- চুপ ফাজিল বলেছি বলে কি অন্য মেয়ের দিকে তাকাতে হবে নাকি?
তুই শুধ আমাকে দেখবি আর তোকে না সেই কখন বলেছি আমার কোলে মাথা রেখে শুয়ে থাকতে কিন্তু তুই এখনো দূরে আছিস আয় কাছে আয় কাছে বলছি।
অহহ হ্যা কথা বলার মাঝে আমু তিশার থেকে দূরে সরে গেছিলাম কেনো জানিনা এমন হচ্চে আমার।আগে তো তিশার সাথে অনেক ঘুরেছি কিন্তু এর আগে কখনো তো এমন হয়নি।

আজ হচ্চে কেনো?
আমি- আমি পারবো না।
তিশা- তোকে পারতেই হবে কোনো কথা শুনতে চাই না।মাথা রাখ জলদি।
আমি- প্লিজ জানু ছেড়ে দাও আমি পালাবো।
তিশা- পালিয়ে দেখনা তোর পা ভেঙে রেখে দিবো।
আমি- পরে তোমাকে সবাই নেঙরার বউ বলবে।

তিশা- বললে বলুক তবুও তুই আমার কোলে মাথা রেখে শুয়ে থাকবি...
আর কি করার যে দজ্জালমেয়ে কথা না শুনলে কি করে বসবে সেটা সে নিজেও জানেনা।
আমি তিশার কোলে মাথা রেখে শুয়ে আছি আর তিশা আমার মাথায় হাত বুলিয়ে দিচ্চে বলে বোঝাতে পারবো না কত যে ভালো লাগছিলো তখন এই ভাবেই আমার আর তিশার সম্পর্ক শুরু হয় এরি মাঝে কলেজের সবাউ আমার বাসার সবাউ তিশার আম্মু সবাই জেনে গেছে কিন্তু কেও কোনো কথা বলেনি।

শুধু বলেছিলো পড়ালেখা যেনো ঠিক থাকে আর কলেজের সবাই তো এখন আমাকে ম্যামের জামাই বলে ডাকে।ম্যামো আগের থেকে বেশি আমাকে আদর করে।ম্যামের নিজের ছেলের মতো দেখে।শুধু একদিন আমাকে ডেকে নিয়ে বলেছিলো দেখো বাবা কাদের আমি কিন্তু প্রেম ভালোবার বিরুদ্ধে না।
আমি এর পক্ষে আছি আর থাকবো কিন্তু আমার মেয়েকে কষ্ট দিয়ো না সারা জীবন আমার মেয়েকে তেমার কাছে আগলে রেখো।
আমি- ম্যাম আপনি চিন্তা করবেন না তিশা কোনো দিন আমার কাছ থেকে কষ্ট পাবে না।
তখন ম্যাম বলেছিলো তুমি আর আমাকে ম্যাম বলে ডেকো না আম্মু বলবে এখন থেকে।

আমি বললাম আচ্ছা এখন থেকে আম্মুবলেই ডাকবো।ম্যাম সেদিন অনেক খুশি হয়েছিলো।
আর আমি আর তিশা তো এখন একে অপরকে ছাড়া থাকতেই পারি না।আমি দিনে দিনে তিশাকে অনেক বেশি ভালোবেসে ফেলি।
এক কথায় তিশাকে ছাড়া থাকা অসম্ভব।
আমাদের রিলেশনের ৩ মাস হয়ে গেছে এরু মাঝে তিশাকে নিজের থেকেও বেশি ভালোবেসে ফেলছি।
কিন্তু......

হঠাৎ একদিন তিশা আমাকে ফোন করে আমাকে দেখা করতে বলে কি জেনো সারপ্রাইজ দিবে।আমি সাথে সাথে চলে গেলাম।
তিশা আগেই চলে এসেছিলো।
আমি গিয়ে বললাম হ্যা বলো কি সারপ্রাইজ দিবে।
তিশা- আমি তোমার সাথে আর রিলেশন রাখতে পারছি না।
আমি- দেখো এখন মজা করার সময় না।মজা পরে আগে বলো কি সারপ্রাইজ।
তিশা- কোনো সারপ্রাইজ নয় আমি সত্যি বলছি আমি আর রিলেশন রাখতে পারবো না।

আমি- আবার মজা???
তিশা- অই আমি তোর মতন ছেলের সাথে তো এতোদিন মজা করেছি তখন সেটা তুই সত্যি ভাবলি আর এখন সত্যি বলছি তুই সেটা মজা কেনো ভাবছিস।
তুই কি করে ভাবলি আমি তোর মতন ছেলেকে ভালোবাসবো??
আমি- মানে কি বলছো এই সব......
তিশা- সোন তোর মনে আছে তুই আমাকে চরিত্রহীন বলেছিলি জানিস কথাটি শোনার পর অনেক কষ্ট হয়েছিলো আর সেদিনি আমি প্রতিজ্ঞা করেছিলাম আমি তোর উপর প্রতিশোধ নিবোই নিবো।
আর সেউ সুযোগ পেলাম তোর ভালোবাসায় আমি তোর সাথে একটু নাটক করলাম।
আমি- এইই তুমি এই সব আবাল তাবাল কি বলছো প্লিজ তুমি আমার সাথে এমন করো না।আমি সত্যি তোমাকে অনেক ভালোবাসি। তোমাকে ছাড়া আমি বাচতে পারবো না খুব ভালোবাসে ফেলেছি তোমায়।

তিশা- বাচতে না পারলে মরে যা না।
শুন তোকে একটা শিক্ষা দেওয়া উচিত ছিলো আর সেটা আমি দিতে পেরেছি এর থেকে বড় শিক্ষা তোকে দিতে চাইনা।দয়া করে তুই আর কোনো দিন আমাকে বিরক্ত করবি না এই বলে দিলাম খুব কষ্ট হচ্চিলো তিশার কথা গুলো শুনে কান্না চলে আসছিলো কোনো রকম চোখের পানি গুলো আটকে রেখেছিলাম।
আমি বললাম হ্যা আচ্ছা আর কোনো দিন তোমায় বিরক্তকরবো না।ভালো থেকো খুব বেশি ভালো থেকো।
তিশা- তো তুই কি ভাবছিস আমি তোকে ছাড়া খারাপ থাকবো,,যত্তসব এই কথা বলে তিশা আলে গেলো। আর
আমি সেখানেই দাড়িয়ে ছিলাম কেনো এতো ভালোবাসতে গেলাম খুব কষ্ট হচ্ছে ,নাহ দাড়িয়ে থাকলে চলবে নাহ আমি সেখান থেকো সোজা মেইন রাস্তায় চলে আসলাম আনমনে হাটছি আর তিশার কথা গুলো ভাবছি হঠাৎ করেই.......




মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

গল্পঃ 💚💚 খালাতো বোন যখন বউ। 💚💚💚

গল্পঃ খালাতো বোন যখন বউ। 💚 এই মাত্র বাসায় আসলাম। আজকে মাথার ওপর দিয়ে অনেক ধকল গেছে। মা: ফারুক এদিকে আয়।  তোকে আমি কি বলছিলাম, তুই আমার কথা কেন শুনিস না। আজকে এই মুহুর্তে তুই  তোর খালার বাসায় জাবি  আমি : না মানে আম্মু  মা : না মানে  কি জাবি কি না তুই?  আমি :জাবো তো যাব। (হাফ ছেরে বাঁচলাম) তার পর আরকি বেরিয়ে পরলাম খালামনিদের বাসার উদ্দেশ্যে ।আমার পরিচয় টা দিয়ে নেই, আমি মোঃ ওমর ফারুক। বয়স ১৭, ক্লাস ১০ এ পরি।বাট নাম মাত্র স্কুল😀। সারা বসরে মাত্র ২ দিন স্কুল এ গেছি তাও আবার শুধু মাত্র ফি জমা দেয়ার জন্য। সারাদিন শুধু মারামারি ফাটাফাটি এই সব করে দিন কাটে।  ভাবচেন কেন 🤔আসলে আমার ভাই রাজনৈতিক দলের অনেক বড়ো নেতা। তাই আমি একটু এরকমি। বাস্তবে ফিরে আসি খালামনির বাসায় বাসে করে জেতে সময় লাগে ৩ থেকে ৪ ঘনটা, আমি বাইক নিয়ে সেখানে ২ ঘন্টার মদ্ধে পৌছে গেছি😀।  কিন্তু একি এতো সুন্দরী একটা মেয়ে, আমি জিবনেও এতো সুন্দর মেয়ে দেখি নাই। গাল গুলো কি সুন্দর আহহা😍, চোখ দুটো তো নাহ আমি আর বলতে পারবোনা😘।  একি ঐ ছেলেটা আবার কোথায় থেকে আসলো। সালার জীবনের এতোগুলা বছর পার ...

{গল্প: হেড মাষ্টারের দুষ্টু মেয়ে }

  গল্প: হেড মাষ্টারের দুষ্টু মেয়ে জে এস সি পাশ করে আজ নতুন একটা স্কুলে ভর্তি হলাম অবশ্য আগে বাবা মার সাথে থাকতাম এখন ভাইয়ার কাছে আসলাম কারন স্কুল টা কাছে তাই | তো আজ প্রথম স্কুলে গেলাম ক্লাসে ঢুকবো তখনি দেখি কে যানো আমাকে লেং মেরে ফেলে দিছে তখন থাপ্পর দিতে যাবো তখনি দেখি এটা আর কেও না একটা মেয়ে দেখছি হাসছে আর মেয়ে টাও অপূরুপ সুন্দর মনে হলে এক মায়াবতী দূর এই সব চিন্তা করে লাভ নাই তো দেখি মেয়েটা বলতেছে- মেয়ে: এই ছেলে চোখে দেখিস না ? আমি অবাক হয়ে গেলাম কার প্রশ্ন কাকে বলার কথা সে আমাকে বলতেছে তখন আমি বল্লাম- আমি: আজব তো আপনি তো আমাকে লেং মেরে ফেলে দিছেন ? মেয়ে: এই তুই দেখছিস আমি তোকে ফেলে দিছি ? আমি: না আল্লাহ তো আমাকে কানা বানিয়ে দুনিয়া পাঠাইছে কিছু তো দেখি না | দেখি আমার কথা শুন হাসতেছে পরে বল্লো----> মেয়ে: এই তোর সাহস তো কম না বড়দের সাথে এইভাবে কথা বলস ? আমি: বড় মানে আর আপনি এইভাবে তুই তোকারি ভাবে কথা বলতেছেন কেনো? মেয়ে: কি তোর কত্ত বড় সাহস আমার সাথে এরকম ভাবে কথা বলিস তুই আমাকে চিনিস আমি কে ? আমি: কেনো আপনি কি প্রধানমন্ত্রীর মেয়ে নাকি যে ভালোভাবে কথা...

গল্পঃ- রোমান্টিক বুড়ো বর।🤣 সেরা একটি রোমান্টিক গল্প। পড়ুন আর গল্পের মধ্যে হারিয়ে যান।😊

গল্পঃ রোমান্টিক বুড়ো বর।🤣😂 আজ বাবার জিদের কারনে নিজের জীবন শেষ বললেই চলে। তার কারণ হচ্ছে আমার সদ্য বিবাহ করা বুড়ো স্বামি  হ্যাঁ আজ আমার বিয়ে , আমি তুলি সবাই ভালোবেসে তুলিমনি বলে ডাকে ,আমার বয়স ১৯। ইন্টার পাশ করে অনার্স ফার্স্ট ইয়ার । আর আমার স্বামী পারভেজ আলম ,বয়স ৩৯😠, চাকরি করে, এখন বুঝলেন তো কেনো বললাম আমার জীবন শেষ , সব হয়েছে আমার নিজের আপন বাবার কারণেই , মা অনেক বার বুঝিয়েছে বাবাকে এই বিয়ে না দেওয়ার জন্য, কিন্তু বাবার এক কথা ছেলেদের বয়স কোনো বিষয় না তার চেয়ে বড় কথা ছেলে ভালো , ছেলের মা -বাবাও নেই ,দুই বোন তাদের ও বিয়ে দিয়ে দিয়েছে, দুই বোন ছাড়া কেউ নেই ,তাই আমি চাই আমরায় ওর বাবা মা হয়ে ওর শূন্যতা পূরণ করে দি। কিন্তু আপনার মেয়ে তো বলছে এই বিয়ে করবে না ও করবে ওর বাপ ও করবে , এ নিয়ে আর একটা কথা যদি বলতে হয় তাহলে কিন্তু খুব খারাপ হবে বাবার কথা তখন মা ও দমে যায় , আমার এতো না বলার পরের আজ আমার বিয়ে হয়ে গেলো এই বুইড়াটার সাথে। আমার দুই ননদ মিসু ও নিসু ,মিসু বড় আর নিসু ছোট । আমার ননদরা একটা ফুলের সাজানো ঘরে আমাকে বসিয়ে রেখে বিভিন্ন মজা করছে , কিন্তু সত্যি...