সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

গল্প:১০ দিনের বউ (৭ম পার্ট)

গল্প:১০ দিনের বউ

(৭ম পার্ট)
বেশ ফুর্তি মুডে বাসায় ফিরলাম....
দরজায় নক করে দেখি আজও দরজা খোলা...
ইসস পাগলিটা কে কতো বার বলি একা একা থাকে, দরজাটা লক করে রাখতে..
বলতে বলতে রুমে ঢুকলাম...
নূপুর রুমে নেই তাহলে নিশ্চই রান্না করছে হয়তো...
দরজাটা লাগিয়ে রান্নাঘরে গেলাম...
ঠিক অনুমান করেছিলাম... পেত্নিটা রান্না করছে...
আমি আস্তে আস্তে গিয়ে নূপুরকে পেছন থেকে জড়িয়ে ধরলাম...
-পেত্নিইই...
নূপুর চমকে উঠলো....
-ওও তুই!

-হুম.। কেন অন্য কাউকে আশা করেছিলি নাকি?
-ইসস না....
-তাহলে?
-এভাবে জড়িয়ে ধরেছিস কেন?
-বা রে.... বউকেই তো ধরেছি...

-এএহ "বউকেই তো ধরেছি" দেখি সর্
-না না... ছাড়বো না..
-কেন?
-বউয়ের সাথে এমন করার অধিকার তো আছেই আমার.. তাই না?
-ইইই.... ১০দিনের বউ এর উপর আবার এতো অধিকার কি..?
-আরে বললাম না বউ তো বউ ই...

-"বউ তো বউ ই" ন্যাকাআ ষষ্ঠী আমার.....
-এমন করো ক্যান গো বউ?
-তোর দুষ্টামি আর গেলো না.... এতো বড় হয়েছিস, তবুও সেই আগের মতোই শয়তান...
-এএএহ তুই বুঝি ধোয়া তুলসি পাতা হয়ে গেছিস?
-এটা কি বলেছি আমি?
-না তবুও তুই দুষ্টামি করিস না নাকি?
-করি তো তোর কি...
-তোর মাথা...

-মাথা নিয়ে বসে থাক...
-না তোকে নিয়ে বসে থাকবো... (আরেকটু ভালোভাবে জড়িয়ে ধরে)
-ইসস ছাড়্ তো.. রান্না করছি দেখতে পাচ্ছিস না?
-পাচ্ছি তো...
-তাহলে ছাড়্
-না তোকে রান্নায় সাহায্য করবো....

-জড়িয়ে ধরে কেউ সাহায্য করে?
-এহে...
আমি একটা হাসি দিয়ে ওর হাতে ধরে ওর সাথে সাথে খুন্তি নাড়াতে লাগলাম.
নূপুর অন্য হাত দিয়ে আমার হাতে একটা থাপ্পড় দিয়ে বললো...
-এএহ সর্ এমন হেল্প লাগে না আমার... যেন আমাকে হাত ধরে ধরে নতুন রান্না শিখাচ্ছে গো...
-হিহি আরে করছি তো হেল্প..
-আরে হেল্প করতে হবে না....

যা ফ্রেস হ গে যা.... (আমার দিকে ঘুরে বললো)
-আরে সিরিয়াসলি হেল্প করতে চাই.... বল্ কি করবো?
-সত্যি হেল্প করতে চাস?
-হ্যা

-কীভাবে করবি হেল্প? তুই কি রান্না জানিস?
-তো কি হইসে... আমি তোকে টুকটাক হেল্প করবো.. যেমন কিছু এগিয়ে দেওয়া কিংবা যা আমি করতে পারবো আর কি...
-ওকে তাহলে...
-হ্যা বল্
-আগে গিয়ে চেঞ্জ করে ফ্রেস হয়ে আয়...
-আচ্ছা আমি যাচ্ছি আর আসছি..
-হুম
একটু পর ফ্রেস হয়ে এলাম...

-এসে গেছি......
-ভালো করেছিস
-বল্ কি করবো
তারপর শুরু হলো নূপুরের অর্ডার দেওয়া....
এটা দে, ওটা দে, ঐটা না সেটা দে... এই কর্ সেই কর্...
উউফ......
যাই হোক... বেশ ভালোই লাগছিলো....
কাজের মাঝে বেশ দুষ্টামিও করেছি..
ঐসব থাক...

এখন রান্না শেষ ডিনার করার পালা.....
আহ বেশ মজা করে ডিনার টা হলো....
তারপর রাতে ঘুমানোর সময়...
-এই আমার কি তোর কাছে ঘুমাতে হবে নাকি?
-এই... না....

-তুই তো ভীতুর ডিম... যদি ভয় পাস....
-এই কালকে শুধু একটু ভয় পেয়েছিলাম বলে তুই এভাবে মজা নিচ্ছিস?
-হাহাহাহাহা তুই একটু ভয় পেয়েছিলি??? হাহাহা OMG... একটু??? হাহাহা..
-এই শয়তান এভাবে হাসছিস কেন
-তুই একটু ভয় পেয়েছিলি?
-তো?
-কাল রাতে কি কি করেছিলি মনে আছে?
মনে হলো নূপুর লজ্জা পেয়েছে....
-জানি না (লজ্জায়)

-আমি বলবো?
-কি?
-কাল রাতে কি কি করেছিলি সেসব গো...
-না থাক....
-আরে বলি না..
-চুপ...
-হিহিহি ভীতু মেয়ে
-ঐ আমি ভীতু না...

-ইসস সরি সরি তুই যে সাহসি মেয়ে আমি ভুলে গেছিলাম হাহাহাহা
-ঐ মজা নিচ্ছিস কেন
-কই মজা নিলাম...
-তুই নিজেই তো ভয় পেয়ে আমার কাছে এসে ঘুমালি...
-এই এই মিথ্যা বলছিস কেন!
-হিহিহি....
-শয়তান্নি...
-তুই শয়তান....

-ইস কাল রাতে কি কি করেছিলি একবার বলবো নাকি গো?
-বলতে হবে না গো
-হিহিহি ভীতু মেয়ে
-ঐ আমি ভীতু না..
-হিহি তা তো কাল রাতেই টের পেয়েছি...
-যা আমি ভীতু না... আমার টেডি আছে তো.. (টেডিটাকে জড়িয়ে ধরে)
-এএএহহ কাল রাতে তো টেডির জায়গায় আমাকে....(কথাটা সম্পূর্ন করতে দিলো না)
-হইসে যা ঘুমা এখন..
-হিহি তোর কাছে?
-আজ্ঞে না...
-তো?
-সোফায় আর কি..

-হিহি ভয় পাবি না তো
-না.. ঘুমা তুই..
-আর আমার দিকে ফিরে খেয়াল রাখতে ভুলিস না যেন...
-ঠিক আছে গো সাহসী মেয়ে...
-চুউপ... গুড নাইট..
-গুড নাইট....
হাসতে হাসতে ডিম লাইট জ্বালিয়ে ঘুমিয়ে পড়লাম...
.
তো এভাবেই আমাদের চলে যাচ্ছিলো....
.
বেশ কয়েকদিন কেটে গেলো...
.
প্রতিদিনকার মতো আজও সকাল সকাল নূপুর আমাকে ডাক দিলো..
-এই হৃদু......(নূপুর)
-উউম...
-উঠ্ অফিস যাবি না?
-না....

-কেন?
-আজ আমার ঢাকায় শেষ দিন ভুলে গেলি... কাল তো আমার সিলেট যেতে হবে.. তো আজকের দিনটা আমার ছুটি...
-ওও...
কথাটা শুনেই যেন নূপুরের মুখটা কালো হয়ে গেলো.....
-কি রে কি হলো? (আমি)
-না কিছু না... আচ্ছা তুই তাহলে শেষদিন একটু আরাম করে ঘুমিয়ে নে.....
-না না ঘুমাবো না...
-কেন?

-কাল তো সিলেট চলে যাবো.. তো আজকে সারাদিন ঘুরাঘুরি করবো.....
-ও GF এর সাথে?
-না বউ এর লগে...
-হারামী আর কয়টা বউ আছে তোর?
-আজব আমি তো তোর কথা বললাম...
-তাহলে ঠিক আছে
-ব্রেকফাস্ট রেডি হয়েছে?
-না তুই ফ্রেস হয়ে আয়... ততক্ষণে হয়ে যাবে.
-আচ্ছা....
-হুম

-আর শোন্
-কী?
-আজকে Lunch & Dinner দুইটাই বাইরে করবো....
-আচ্ছা ঠিক আছে....
-হুম... আমি তাহলে গোসলটাও সেরে ফেলি... তারপর ব্রেকফাস্ট সেরে রেস্ট নিয়ে ঘুরতে চলে যাবো নে!
-Okkkkk (আমার চুল এলোমেলো করে)
আমি বাথরুমে চলে গেলাম....
আর নূপুরও ব্রেকফাস্ট রেডি করতে রান্নাঘরে চলে গেলো.
.
বেশ কিছুক্ষন পর নূপুর ব্রেকফাস্ট রেডি করে ডাক দিলো.
-হৃদু তোর হলো?
-হ্যা আরেকটু....
-তাড়াতাড়ি কর্
-হুম
.
কিছুক্ষন পর আমি গোসল থেকে বের হয়ে টাওয়েল দিয়ে মুছতে মুছতে ব্রেকফাস্ট করতে গেলাম....
আমাকে দেখেই নূপুর চোখ বন্ধ করে বিপরীত দিকে ঘুরে গেলো
-ঐইইইইই তোকে বলেছি না খালি গায়ে থাকবি না...
-আজব....
-কি আজব! গোসল করেই এভাবে খালি গায়ে খেতে এলি কেন? তোকে নিষেধ করেছি না?
-কি!
-এই তোকে বলেছি না খালি গায়ে থাকবি না... অন্তত আমার সামনে না...
-সামনে কই! আমি তো তোর পেছনে আছি.....
-চুপ কথা না বলে কিছু পরে আয় যা...
-না পরলে?

-পরতে বলেছি, পরে আয় যা... (চেচিয়ে)
-আচ্ছা আচ্ছা যাচ্ছি... তুইও গিয়ে আমার জামাকাপড় ধুয়ে দিয়ে আয় যা
-হুম তুই যা আগে
-হুম
একটু পর গেঞ্জি পরে এসে নূপুরকে ডাক দিলাম...
-এই নূপুর.. গেঞ্জি পরে এসেছি..
-কি?

-কই তুই? লজ্জায় লুকিয়ে গেলি নাকি?
-ধ্যত না... আসছি
-আচ্ছা আয়..
নূপুর আসার পর একসাথে খেয়ে নিলাম...
-এই নূপুর রেডি হয়ে নে...
-কেন?
-বললাম না ঘুরতে যাবো...
-এই এতো তাড়াতাড়ি?
-কই তাড়াতাড়ি?
- আমি তোর জামাকাপড় ধুয়ে দেই নাই তো.. দাড়া ধুয়ে আসি..
-একি এখনো ধুয়ে দিস নাই?
-না

-যা তাড়াতাড়ি ধুয়ে দে গা....
-হুম যাচ্ছি..
নূপুর কাপড় কাচতে চলে গেলো...
ও যখন কাপড় ধুয়ে দিচ্ছিলো তখন নূপুরকে বিরক্ত করার জন্য ১০০বার ওকে ডাকছিলাম..
-এ নূপুর হলো?
-না
একটু পর আবার....
-ঐ হলো??
-না...
আবার....
-হয়নি?

-আরেকটু....
২মিনিট পর আবার...
-নূপুর... হলো?
এবার কোনো জবাব পেলাম না... টিভির দিক থেকে নজর সরিয়ে দেখি নূপুর রাগী চেহারায় আমার দিকে এগিয়ে আসছে...
আমি শুয়া অবস্থা থেকে উঠে পড়লাম...
-কি হলো? (কাপা কাপা গলায় বললাম)
নূপুর কিছু না বলে আমার ঘাড় ধরে জোর করে নিয়ে যেতে লাগলো...
-এই নূপুর কি হলো?
নূপুর কিছু না বলে আমাকে জোর করে বাথরুমে নিয়ে গিয়ে বললো....
-নে এবার নিজের কাপড় নিজে ধুয়ে দে।।।
-আরে আরে আমি কেন?
-তুই ই ধুয়ে দিবি...

-কেন
-তোর যখন খুব তাড়াতাড়ি দরকার তো তুই ই কাচ কাপড়..
-না .
-কি না... ৫মিনিট ও হয়নি ভালো করে, এর মধ্যে তো ১০০বার ডাকাডাকি করলি..! "হলো? হলো? " (মুখ ভেঙিয়ে)
-আমি তো....
-কি আমি তো... ফাজিল একটা....
-হিহি....
-এই তোকে রাগলে খুব কিউট লাগে....!
-চুউউপ্প....

-সত্যি রে...
-দেখি যা এখান থেকে আমাকে ভালো করে কাপড় ধুতে দে।।।
-হিহিহি...
একটা হাসি দিয়ে চলে এলাম...
খানিকপরে নূপুর কাপড় ছাদে দিয়ে আসলো.
-কাপড় ধোয়া শেষ হলো?
-তোর কাপড়ই তো ধুয়ে দিলাম
-আচ্ছা যা এখন তাড়াতাড়ি তৈরি হয়ে নে..
-হুম যাচ্ছি
-হুম...
নূপুর রেডি হতে চলে গেলো আর আমি খাটে শুয়ে শুয়ে টিভি দেখতে লাগলাম.








মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

গল্পঃ 💚💚 খালাতো বোন যখন বউ। 💚💚💚

গল্পঃ খালাতো বোন যখন বউ। 💚 এই মাত্র বাসায় আসলাম। আজকে মাথার ওপর দিয়ে অনেক ধকল গেছে। মা: ফারুক এদিকে আয়।  তোকে আমি কি বলছিলাম, তুই আমার কথা কেন শুনিস না। আজকে এই মুহুর্তে তুই  তোর খালার বাসায় জাবি  আমি : না মানে আম্মু  মা : না মানে  কি জাবি কি না তুই?  আমি :জাবো তো যাব। (হাফ ছেরে বাঁচলাম) তার পর আরকি বেরিয়ে পরলাম খালামনিদের বাসার উদ্দেশ্যে ।আমার পরিচয় টা দিয়ে নেই, আমি মোঃ ওমর ফারুক। বয়স ১৭, ক্লাস ১০ এ পরি।বাট নাম মাত্র স্কুল😀। সারা বসরে মাত্র ২ দিন স্কুল এ গেছি তাও আবার শুধু মাত্র ফি জমা দেয়ার জন্য। সারাদিন শুধু মারামারি ফাটাফাটি এই সব করে দিন কাটে।  ভাবচেন কেন 🤔আসলে আমার ভাই রাজনৈতিক দলের অনেক বড়ো নেতা। তাই আমি একটু এরকমি। বাস্তবে ফিরে আসি খালামনির বাসায় বাসে করে জেতে সময় লাগে ৩ থেকে ৪ ঘনটা, আমি বাইক নিয়ে সেখানে ২ ঘন্টার মদ্ধে পৌছে গেছি😀।  কিন্তু একি এতো সুন্দরী একটা মেয়ে, আমি জিবনেও এতো সুন্দর মেয়ে দেখি নাই। গাল গুলো কি সুন্দর আহহা😍, চোখ দুটো তো নাহ আমি আর বলতে পারবোনা😘।  একি ঐ ছেলেটা আবার কোথায় থেকে আসলো। সালার জীবনের এতোগুলা বছর পার ...

{গল্প: হেড মাষ্টারের দুষ্টু মেয়ে }

  গল্প: হেড মাষ্টারের দুষ্টু মেয়ে জে এস সি পাশ করে আজ নতুন একটা স্কুলে ভর্তি হলাম অবশ্য আগে বাবা মার সাথে থাকতাম এখন ভাইয়ার কাছে আসলাম কারন স্কুল টা কাছে তাই | তো আজ প্রথম স্কুলে গেলাম ক্লাসে ঢুকবো তখনি দেখি কে যানো আমাকে লেং মেরে ফেলে দিছে তখন থাপ্পর দিতে যাবো তখনি দেখি এটা আর কেও না একটা মেয়ে দেখছি হাসছে আর মেয়ে টাও অপূরুপ সুন্দর মনে হলে এক মায়াবতী দূর এই সব চিন্তা করে লাভ নাই তো দেখি মেয়েটা বলতেছে- মেয়ে: এই ছেলে চোখে দেখিস না ? আমি অবাক হয়ে গেলাম কার প্রশ্ন কাকে বলার কথা সে আমাকে বলতেছে তখন আমি বল্লাম- আমি: আজব তো আপনি তো আমাকে লেং মেরে ফেলে দিছেন ? মেয়ে: এই তুই দেখছিস আমি তোকে ফেলে দিছি ? আমি: না আল্লাহ তো আমাকে কানা বানিয়ে দুনিয়া পাঠাইছে কিছু তো দেখি না | দেখি আমার কথা শুন হাসতেছে পরে বল্লো----> মেয়ে: এই তোর সাহস তো কম না বড়দের সাথে এইভাবে কথা বলস ? আমি: বড় মানে আর আপনি এইভাবে তুই তোকারি ভাবে কথা বলতেছেন কেনো? মেয়ে: কি তোর কত্ত বড় সাহস আমার সাথে এরকম ভাবে কথা বলিস তুই আমাকে চিনিস আমি কে ? আমি: কেনো আপনি কি প্রধানমন্ত্রীর মেয়ে নাকি যে ভালোভাবে কথা...

গল্পঃ- রোমান্টিক বুড়ো বর।🤣 সেরা একটি রোমান্টিক গল্প। পড়ুন আর গল্পের মধ্যে হারিয়ে যান।😊

গল্পঃ রোমান্টিক বুড়ো বর।🤣😂 আজ বাবার জিদের কারনে নিজের জীবন শেষ বললেই চলে। তার কারণ হচ্ছে আমার সদ্য বিবাহ করা বুড়ো স্বামি  হ্যাঁ আজ আমার বিয়ে , আমি তুলি সবাই ভালোবেসে তুলিমনি বলে ডাকে ,আমার বয়স ১৯। ইন্টার পাশ করে অনার্স ফার্স্ট ইয়ার । আর আমার স্বামী পারভেজ আলম ,বয়স ৩৯😠, চাকরি করে, এখন বুঝলেন তো কেনো বললাম আমার জীবন শেষ , সব হয়েছে আমার নিজের আপন বাবার কারণেই , মা অনেক বার বুঝিয়েছে বাবাকে এই বিয়ে না দেওয়ার জন্য, কিন্তু বাবার এক কথা ছেলেদের বয়স কোনো বিষয় না তার চেয়ে বড় কথা ছেলে ভালো , ছেলের মা -বাবাও নেই ,দুই বোন তাদের ও বিয়ে দিয়ে দিয়েছে, দুই বোন ছাড়া কেউ নেই ,তাই আমি চাই আমরায় ওর বাবা মা হয়ে ওর শূন্যতা পূরণ করে দি। কিন্তু আপনার মেয়ে তো বলছে এই বিয়ে করবে না ও করবে ওর বাপ ও করবে , এ নিয়ে আর একটা কথা যদি বলতে হয় তাহলে কিন্তু খুব খারাপ হবে বাবার কথা তখন মা ও দমে যায় , আমার এতো না বলার পরের আজ আমার বিয়ে হয়ে গেলো এই বুইড়াটার সাথে। আমার দুই ননদ মিসু ও নিসু ,মিসু বড় আর নিসু ছোট । আমার ননদরা একটা ফুলের সাজানো ঘরে আমাকে বসিয়ে রেখে বিভিন্ন মজা করছে , কিন্তু সত্যি...