সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

গল্প: হেড মাষ্টারের দুষ্টু মেয়ে পর্বঃ ০২

 গল্প: হেড মাষ্টারের দুষ্টু মেয়ে
 পর্বঃ ০২

আমি: আচ্ছা এখন তাহলে আমি যাই ?
মেঘলা: আচ্ছা যা আর ঠিক মতো পরাশুনা করিস কেমন ?
আমি: যাওয়ার আগে একটা কথা বলে দিতে চাই ?
মেঘলা: কি কথা বল ?
আমি: আসুন কানে কানে বলি আর নাহ হলে সবাই শুনবে |
মেঘলা: হুম এখন বল ?
আমি: ইশশ কি গন্ধ আপনার কানে পরিষ্কার করেন না ?
মেঘলা: এই তুই কি বল্লি ?
আমি: না না কিছু না |

মেঘলা: কি বলবি তারাতারি বল ?
আমি: আসলে আমি না খুব চাপা মারতে পারি |
যেই বল্লাম সেই দিলাম দৌর তখন সে বল্লো-
মেঘলা: তার মানে তখন তুই আবেগ দেখিয়ে মিথ্যা বল্লি এই হারামজাদাটাকে ধর |
কে কাকে ধরে দিলাম দৌর উফফ বেচে গেলাম কি মেয়েরে বাবা আজকে চাপা না মারলে মেরেই ফেলতো তাও আবার প্রিন্সি থুক্কু হেড স্যারের মেয়ে কি যানি কি করে খুব ভয় করছে মেয়েটা পুরা গুন্ডি এই ভয় বাসায় গেলাম তখন দেখি ভাবি বলতেছে-

ভাবি: কি বেপার আবির সাহেব আজ প্রথম দিন গিয়েই এত দেরি হলো নতুন কাওকে পেয়েছেন নাকি ?
আমি: আর বইলো না ভাবি আজ তো আমি শেষ হয়েই যেতাম |
ভাবি: কেনো কি হয়েছে ?
আমি: আগে এক গ্লাস ঠান্ঠা পানি দাও বলতেছি |
ভাবি: আচ্ছা বসো আনছি |
অতঃপর পানিটা খেয়ে বল্লাম-

আমি: আহ কি শান্তি |
ভাবি: এখন বলো কি হয়েছে ?
আমি: আরে ভাবি বইলো না আজ স্কুলে গেলাম হঠাৎ এক গুন্ডি মেয়ের সাথে ঝগরা হলো|
ভাবি: কি বলো তার পর কি হলো ?
তারপর সব খুলে বল্লাম তখন ভাবি কথা শুনে বলতেছে-

ভাবি: হাহাহা তুমি না আসলেই ফাজিল |
আমি: হুম খুব জোর বেচে গেলাম |
ভাবি: আচ্ছা যাও ফ্রেশ হয়ে খেতে আসো |
অতঃপর খাওয়া দাওয়া করে একটু পরাশুনা করে দিলাম এক ঘুম হারিয়ে গেলাম স্বপ্নের পৃথিবীতে কি মজার এক স্বপ্ন দেখছি তখনি দেখি কে যানো ডাকছে চোখ খুলে দেখলাম ভাবি পরে বলতেছে-

ভাবি: এই উঠো আর কত ঘুমাবা তুমি আর তোমার ভাইয়ারো দেখি একই অবস্থা |
আমি: উফফ ভাবি আর একটু ঘুমাই |
ভাবি: আরে ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখো কয়টা বাজে স্কুলে যাবা না ?
আমি: হায়রে আর একটু আগে ডাক দিবা না দূর আজ দেরি হয়ে গেলো |
অতঃপর সকালের নাস্তা করে স্কুলে গেলাম তো দেখি ক্লাসে স্যার তো বল্লাম-

আমি: স্যার আসতে পারি ?
স্যার: এই আচ্ছা তোমরা কি ওকে কেও চিনো ?
সবাই দেখি হাসছে পরে বল্লাম--
আমি: স্যার গত কালকেই তো ভর্তি হলাম |
স্যার: তা তোমাকে তো মনে হয়ে না তুমি স্টুডেন্ট ?
আমি: কেনো স্যার ?
স্যার: তোমার নিচে তাকাও |
অতঃপর নিচে তাকিয়ে দেখলাম আর তখনি আমি লজ্জায় মুখ ডেকে ফেলি আসলে তারাহুরার ভিতরে প্যান্টের বদলে স্কুলে লুঙ্গি পরে আসছি এই দেখে সবাই হাসছে তখন স্যার বল্লো-

স্যার: বেয়াদব ছেলে এটা স্কুল তোমার বাসা না যাও চেন্জ করে আসো |
আমি: সরি স্যার আমি এখনি চেন্জ করে আসছি |
অতঃপর আবার বাসায় গেলাম লুঙ্গিটা রেখে পেন্ট পরে আসলাম দূর আজ যে কার মুখ দেখলাম অতঃপর ক্লাসে ডুকলাম বন্ধুরা বল্লো-

আকাশ: মামা তুই তো শেষ ?
আমি: কেনো মামা কি হইছে ?
সৌরভ: ঐ যে প্রিন্সিপাল স্যারের মেয়ে তোরে কুত্তার লাহান খুজতেছে?
আমি: ওহ আচ্ছা ,এই কি বল্লি ??আমাকে খুজতেছে ??
আকাশ: হ্যা তোকেই খুজতাছে |
আমি: মামা কাল আমার জানাজা টা পরতে আসিস আর ভুল টুল করে থাকলে মাফ করে দিস |
সৌরভ: কেন তুই কি মরে যাবি ?
আমি: আমাকে যখন খুজতেছে তাহলে তো মেরেই ফেলবে|
অতঃপর ভয়ে ভয়ে ক্লাস করলাম একটু পর দেখি সেই গুন্ডা থুক্কু গুন্ডি মেঘলা ডায়রেক্ট স্যারের সামনে ক্লাসে ডুকে আমার কলার ধরে নিয়ে গেলে আসলে মেঘলাকে নাকি সবাই ভয় পায় তাই কিছু বলে না অতঃপর সে মাঠের একটা জাগায়ে আমাকে আনলো আর বল্লো-

মেঘলা: বল কোথা থেকে আগে তোকে শুরু করবো ?
আমি: ছি কি বলছেন এসব লোকে দেখলে কি বলবে তাছারা এই মাঠে এই আমার না লজ্জা করছে |
মেঘলা: [ঠাসসস] কি বল্লি আবার বল ?
আমি: উফফ এত আস্তে কেও চর মারে ?
মেঘলা: [ঠাসসস]
আমি: এই প্লিজ আমাকে ছেরেদিন এবার চড়টা একটু জোরে লেগেছে |
মেঘলা: এগুলা তো কিছুই না তোকে তো আজ রড দিয়ে পিটাবো খুব ফাইজলামি করিস |
একটু আবেগ দেখিয়ে বল্লাম----->

আমি: হ্যা আমাকে মেরে ফেলুন আমি বাচতে চাই না আর পৃথিবীতে |
মেঘলা: ওরে বাবা এখন মরার ইচ্ছা হলো কি ভাবে ?
আমি: জানেন সকাল থেকে এখনো পর্যন্ত কিছু খাই নি [চাপা]
তাও আবার আজ স্কুলে প্রথমে লুঙ্গি পরে আসছি পরে আবার বাসায়ে গিয়ে চেন্জ করে আসছি তাহলে এই পৃথিবীতে বেচে কি লাভ বলুন ?
যেই বল্লাম কথা গুলো তখন সেই পরিমানে হাসতেছে যাক আমার আবার চাপা কাজে লাগে তো তখন সে বল্লো

মেঘলা: হাহাহাহাহা উফফ তোর কথা শুনে আমি শেষ তুই এত ফানি কেনো রে ?
আমি: কেনো আপনার ভালো লেগেছে আবার প্রেমে পইরেন না কিন্তু ?
মেঘলা: এই কি বল্লি তুই ?
আমি: না না কিছু না প্লিজ এই গরিব ছেলেটাকে কিছু খাওয়াবেন খুব ক্ষিদা লেগেছে ?
মেঘলা: হাহাহা চুপ বেয়াদব চল |
আমি: কোথায় ?
মেঘলা: চল ক্যান্টিনে |
অতঃপর তার সাথে ক্যান্টিনে গেলাম গিয়ে দেখি দুম দাম খাবাবের অর্ডার দিচ্ছে তখন আমি বল্লাম

আমি: এই আমি কিন্তু কোনো টাকা আনি নি |
মেঘলা: তুই খাবি নাকি মাইর খাবি বল ?
আমি: এই না না খাবো কিন্তু এত টাকা আপনি পাবেন কথা থেকে ?
মেঘলা: সব টাকা আমার আব্বু দিবে আর এর থেকে বেশি প্রতিদিন খাই আর টাকা আব্বু দেয় |
আমি: পৃথিবীতে হইছে এক রাক্ষশ রানি |
মেঘলা: কিরে কিছু বল্লি ?
আমি: না না কিছু বলি নি কত দিন ধরে যে খাই না |
মেঘলা: আচ্ছা তোর নাম কি?
......

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

গল্পঃ 💚💚 খালাতো বোন যখন বউ। 💚💚💚

গল্পঃ খালাতো বোন যখন বউ। 💚 এই মাত্র বাসায় আসলাম। আজকে মাথার ওপর দিয়ে অনেক ধকল গেছে। মা: ফারুক এদিকে আয়।  তোকে আমি কি বলছিলাম, তুই আমার কথা কেন শুনিস না। আজকে এই মুহুর্তে তুই  তোর খালার বাসায় জাবি  আমি : না মানে আম্মু  মা : না মানে  কি জাবি কি না তুই?  আমি :জাবো তো যাব। (হাফ ছেরে বাঁচলাম) তার পর আরকি বেরিয়ে পরলাম খালামনিদের বাসার উদ্দেশ্যে ।আমার পরিচয় টা দিয়ে নেই, আমি মোঃ ওমর ফারুক। বয়স ১৭, ক্লাস ১০ এ পরি।বাট নাম মাত্র স্কুল😀। সারা বসরে মাত্র ২ দিন স্কুল এ গেছি তাও আবার শুধু মাত্র ফি জমা দেয়ার জন্য। সারাদিন শুধু মারামারি ফাটাফাটি এই সব করে দিন কাটে।  ভাবচেন কেন 🤔আসলে আমার ভাই রাজনৈতিক দলের অনেক বড়ো নেতা। তাই আমি একটু এরকমি। বাস্তবে ফিরে আসি খালামনির বাসায় বাসে করে জেতে সময় লাগে ৩ থেকে ৪ ঘনটা, আমি বাইক নিয়ে সেখানে ২ ঘন্টার মদ্ধে পৌছে গেছি😀।  কিন্তু একি এতো সুন্দরী একটা মেয়ে, আমি জিবনেও এতো সুন্দর মেয়ে দেখি নাই। গাল গুলো কি সুন্দর আহহা😍, চোখ দুটো তো নাহ আমি আর বলতে পারবোনা😘।  একি ঐ ছেলেটা আবার কোথায় থেকে আসলো। সালার জীবনের এতোগুলা বছর পার ...

{গল্প: হেড মাষ্টারের দুষ্টু মেয়ে }

  গল্প: হেড মাষ্টারের দুষ্টু মেয়ে জে এস সি পাশ করে আজ নতুন একটা স্কুলে ভর্তি হলাম অবশ্য আগে বাবা মার সাথে থাকতাম এখন ভাইয়ার কাছে আসলাম কারন স্কুল টা কাছে তাই | তো আজ প্রথম স্কুলে গেলাম ক্লাসে ঢুকবো তখনি দেখি কে যানো আমাকে লেং মেরে ফেলে দিছে তখন থাপ্পর দিতে যাবো তখনি দেখি এটা আর কেও না একটা মেয়ে দেখছি হাসছে আর মেয়ে টাও অপূরুপ সুন্দর মনে হলে এক মায়াবতী দূর এই সব চিন্তা করে লাভ নাই তো দেখি মেয়েটা বলতেছে- মেয়ে: এই ছেলে চোখে দেখিস না ? আমি অবাক হয়ে গেলাম কার প্রশ্ন কাকে বলার কথা সে আমাকে বলতেছে তখন আমি বল্লাম- আমি: আজব তো আপনি তো আমাকে লেং মেরে ফেলে দিছেন ? মেয়ে: এই তুই দেখছিস আমি তোকে ফেলে দিছি ? আমি: না আল্লাহ তো আমাকে কানা বানিয়ে দুনিয়া পাঠাইছে কিছু তো দেখি না | দেখি আমার কথা শুন হাসতেছে পরে বল্লো----> মেয়ে: এই তোর সাহস তো কম না বড়দের সাথে এইভাবে কথা বলস ? আমি: বড় মানে আর আপনি এইভাবে তুই তোকারি ভাবে কথা বলতেছেন কেনো? মেয়ে: কি তোর কত্ত বড় সাহস আমার সাথে এরকম ভাবে কথা বলিস তুই আমাকে চিনিস আমি কে ? আমি: কেনো আপনি কি প্রধানমন্ত্রীর মেয়ে নাকি যে ভালোভাবে কথা...

গল্পঃ- রোমান্টিক বুড়ো বর।🤣 সেরা একটি রোমান্টিক গল্প। পড়ুন আর গল্পের মধ্যে হারিয়ে যান।😊

গল্পঃ রোমান্টিক বুড়ো বর।🤣😂 আজ বাবার জিদের কারনে নিজের জীবন শেষ বললেই চলে। তার কারণ হচ্ছে আমার সদ্য বিবাহ করা বুড়ো স্বামি  হ্যাঁ আজ আমার বিয়ে , আমি তুলি সবাই ভালোবেসে তুলিমনি বলে ডাকে ,আমার বয়স ১৯। ইন্টার পাশ করে অনার্স ফার্স্ট ইয়ার । আর আমার স্বামী পারভেজ আলম ,বয়স ৩৯😠, চাকরি করে, এখন বুঝলেন তো কেনো বললাম আমার জীবন শেষ , সব হয়েছে আমার নিজের আপন বাবার কারণেই , মা অনেক বার বুঝিয়েছে বাবাকে এই বিয়ে না দেওয়ার জন্য, কিন্তু বাবার এক কথা ছেলেদের বয়স কোনো বিষয় না তার চেয়ে বড় কথা ছেলে ভালো , ছেলের মা -বাবাও নেই ,দুই বোন তাদের ও বিয়ে দিয়ে দিয়েছে, দুই বোন ছাড়া কেউ নেই ,তাই আমি চাই আমরায় ওর বাবা মা হয়ে ওর শূন্যতা পূরণ করে দি। কিন্তু আপনার মেয়ে তো বলছে এই বিয়ে করবে না ও করবে ওর বাপ ও করবে , এ নিয়ে আর একটা কথা যদি বলতে হয় তাহলে কিন্তু খুব খারাপ হবে বাবার কথা তখন মা ও দমে যায় , আমার এতো না বলার পরের আজ আমার বিয়ে হয়ে গেলো এই বুইড়াটার সাথে। আমার দুই ননদ মিসু ও নিসু ,মিসু বড় আর নিসু ছোট । আমার ননদরা একটা ফুলের সাজানো ঘরে আমাকে বসিয়ে রেখে বিভিন্ন মজা করছে , কিন্তু সত্যি...