সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

গল্প: হেডমাস্টার এর দুষ্টু মেয়ে পর্বঃ ০৫

গল্প: হেডমাস্টার এর দুষ্টু মেয়ে

পর্বঃ ০৫

মেঘলা: এই ভিতুর বাচ্চা এইদিকে আয় |
আমি তখন গিয়ে বল্লাম
আমি: দেখো আমার আম্মু ভিতু না খুব সাহসি তুমি ও তার সাথে পারবা না |
মেঘলা: ঐ আমি কি তোর আম্মুকে বলছি তোকে বল্লাম |
আমি: তার মানে আমার আম্মু কি দুইটা |
মেঘলা: হায়রে এ কোন পাগল বুঝলাম না যাইহোক শুন |
আমি: হুম বলো ?

মেঘলা: ঐযে দোকান দেখছিস ঐ খান থেকে এক পেকেট গোল্ড লিফ সিগারেট নিয়ে আসবি যা |
আমি অতঃপর যাচ্ছি হঠাৎ থমকে গেলাম এটা কি হলো সে তো মেয়ে আর সে কিনা সিগারেট খায় অতঃপর আবার তার কাছে গিয়ে বল্লাম-

আমি: এই তুমি সিগারেট খাও ছি ছি
মেঘলা: তোরা খেতে পারলে আমরা খেতে পারবো না কেনো ?
আমি: সবাই খেলে ও আমি খাই না কিন্তু শেষ পর্যন্তু তুমি সিগারেট ও খাও ?
মেঘলা: ওরে কচি খোকা মনে হয় আকাশ থেকে পরছিস যেটা বলছি সেটা গিয়ে আন যা |
আমি: এটা আমি পারবো না |

মেঘলা: তুই পারবি না তোর চৌদ্দ গুষ্টি পারবে যাবি নাকি আব্বুকে বলে দিবো যে তুই আমাকে সিগারেট আনতে পাঠাইছিস ?
আমি: এই না প্লিজ এভাবে থ্রেড দিও না |
মেঘলা:তাহলে যা তারাতারি নিয়ে আয় |
আমি: কিন্তু টাকা ?
মেঘলা: ছি তোর লজ্জা করে না মেয়েদের থেকে টাকা চাস ?

অতঃপর গেলাম সিগারেট আনতে যে ছেলে জীবনে সিগারেট ধরলো না আর আমি কিনা আমার টাকা দিয়ে সিগারেট আনছি
তাও একটা মেয়ের জন্য কোন পাগলে বলছিলো যে এই স্কুলে ভর্তি হতে দূর জীবনটাই তেজ পাতা অতঃপর সিগারেট নিয়ে তাদের কাছে গেলাম আর বল্লাম

আমি: এই নাও সিগারেট আমি গেলাম |
মেঘলা: এই তুই কোথায় যাস ?
আমি: কেনো ক্লাসে যাবো |
মেঘলা: আজ যাওয়া লাগবে না আমাদের সাথে থাক |
আমি: সরি আমি গুন্ডি থুক্কু গুন্ডা না |
মেঘলা: কি বল্লি খারা এই সিগারেট ধরা এটা |

আমি: কি আমি সিগারেট ধরাবো এই না প্লিজ এটা আমি পারবো না |
মেঘলা: তুই পারবি না তোর বাবা পারবে ?
আমি: হ্যা আমার আব্বুর কাছে যাও সে খুব ভালো সিগারেট খেতে পারে |
মেঘলা: এই তোকে বলছি না ধরাতে |
আমি: প্লিজ আমাকে ছেরে দাও |
মেঘলা: ধরাবি নাকি আব্বুর কাছে যাবো ?

আমি: এই না ধরাচ্ছি |
এ কার কপালে আমি পরলাম না পারি কইতে না সইতে অতঃপর ম্যাচ দিয়ে সিগারেট ধরালাম যেই মুখের ভিতরে ধোয়া গেলো আমি কাশতে কাশতে শেষ পরে সে বল্লো

মেঘলা: হাহাহা সামান্য একটা সিগারেট খেতে পারিস না দে এদিকে?
অতঃপর দিলাম আমি তার খাওয়া দেখে তো পুরাই থ এটা কি মেয়ে না ছেলে পুরাই গুন্ডি মাস্তান পরে বল্লাম-
আমি: আচ্ছা তুমি এরকম র্শাট প্যান্ট পরো কেনো পরে সিগারেট খাও কেনো তোমার আব্বু আম্মু কিছু বলে না ?
মেঘলা: শুন আমি আমার বাবার এক মাত্র মেয়ে আর মেয়ে হয়েছি বলে কি এগুলা করতে পারবো না তাছারা এরকম থাকতে আমার খুব ভালো লাগে বুঝলি ?
আমি: তাই বলে এরকম পরে তো তোমাকে কেও বিয়ে করবে না ?
মেঘলা: যাকে বিয়ে করার তাকে আমি জোর করেই বিয়ে করবো |
আমি: কেনো তোমার বি এফ নাই ?

মেঘলা: আমার অবস্থা দেখে কেও প্রেম করতে আসে না |
আমি: তা তো কখনো আসবেই না যে আসবে তার জীবন তেজ পাতা |
মেঘলা: কেনো তেজ পাতা আমি কি কম সুন্দর তাছারা আমার থেকে ভালো মেয়ে আছে বল ?
আমি: তুমি ভালো ?
মেঘলা: কি বল্লি আমি ভালো না ?
আমি: না না ভালো তো তুমি তো দুধে ধোয়া তুলসি পাতা |
মেঘলা: কি বল্লি খারা

আমি আর নাই গেলাম চলে বাসায় দূর এরকম বজ্জাত মেয়ে কোথা থেকে যে আসে দূর আমার জাগায় কেও হলে মরে যেতো এরকমি প্রতিদিন চলতো স্কুলে আমার সাথে তো একদিন স্কুলে গেলাম মানে আজ একটা নতুন একটা র্গালফ্রেন্ড মানে জি এফ জুটাইছি তাও অনেক রিকয়েষ্ট করার পর |
তো স্কুলে গেলাম একটা গোলাপ ফুল নিয়ে নতুন মেয়েটিকে দিবো অতঃপর একটা খোলা জাগায় ডাক দিলাম অতঃপর ফুল টা বের করে যেই আই লাভ ইউ বলতে যাবো তখনি গুন্ডি মেয়েটা মানে মেঘলা আপু হাজির তখন সে বল্লো-
মেঘলা: এইখানে কি হচ্ছে ?
আমি তখন বল্লাম-

আমি: প্লিজ তুমি চলে যাও জীবনের প্রথম একটা জি এফ পাইছি কিছু কইরো না |
মেঘলা: রাখ তোর জি এফ এই মেয়ে ভালো ভাবে এখান থেকে চলে যাও আর না হলে তো আমাকে চিনো কি করবো তোমাকে?
এই মুহূর্তে নতুন মেয়েটা ভয় পেয়ে চলে গেছে তখন আমি বল্লাম-

আমি: এটা কি করলে জীবনে প্রথম একটা জী এফ পাইছিলাম আর তুমি এসে দিলা তাকে উরিয়ে দূর |
মেঘলা: হাহাহা আহারে কি কষ্ট হয় ?
আমি: কথা বলবা না যাও |
মেঘলা: শুন তোকে যানো কোনো মেয়ের সাথে না দেখি আর দেখলে মনে কর আগে মেয়েটাকে পিটাবো তারপর তোকে পিটাবো |
আমি: তুমি এক কাজ করো আমাকে মেরে ফেলো তাহলেই ভালো হয় |
মেঘলা: হাহাহা থাক পরে মরিস এখন তোর হাতের ফুলটা দে|

অতঃপর ফুলটা নিয়েই গেলো মনে হয় এ জীবনে আর জী এফ হবে না এরকমি যখনি মেয়েদের সাথে কথা বলতাম তখনি এসে বকা দিতো আর থ্রেড দিতো দূর ইচ্ছা হচ্ছে মরে যেতে কিন্তু আমার বউ এর জন্য তো বেচে থাকতে হবে তাই না|
তো আজ স্কুলে গেলাম দেখি কিছু বড় ভাইরা স্কুলের ভিতরে বসে আছে পরে আমি তাদের সামনে দিয়ে যেতে লাগলাম তখন তারা ডাক দিলো

এই এদিকে আয় ?
তখন আমি গিয়ে বল্লাম-
আমি: জী ভাইয়া কিছু বলবেন ?
তুই নাকি মেঘলার সাথে সারদিন থাকিস ?
আমি: জী ভাইয়া কোনো প্রবলেম?


মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

গল্পঃ 💚💚 খালাতো বোন যখন বউ। 💚💚💚

গল্পঃ খালাতো বোন যখন বউ। 💚 এই মাত্র বাসায় আসলাম। আজকে মাথার ওপর দিয়ে অনেক ধকল গেছে। মা: ফারুক এদিকে আয়।  তোকে আমি কি বলছিলাম, তুই আমার কথা কেন শুনিস না। আজকে এই মুহুর্তে তুই  তোর খালার বাসায় জাবি  আমি : না মানে আম্মু  মা : না মানে  কি জাবি কি না তুই?  আমি :জাবো তো যাব। (হাফ ছেরে বাঁচলাম) তার পর আরকি বেরিয়ে পরলাম খালামনিদের বাসার উদ্দেশ্যে ।আমার পরিচয় টা দিয়ে নেই, আমি মোঃ ওমর ফারুক। বয়স ১৭, ক্লাস ১০ এ পরি।বাট নাম মাত্র স্কুল😀। সারা বসরে মাত্র ২ দিন স্কুল এ গেছি তাও আবার শুধু মাত্র ফি জমা দেয়ার জন্য। সারাদিন শুধু মারামারি ফাটাফাটি এই সব করে দিন কাটে।  ভাবচেন কেন 🤔আসলে আমার ভাই রাজনৈতিক দলের অনেক বড়ো নেতা। তাই আমি একটু এরকমি। বাস্তবে ফিরে আসি খালামনির বাসায় বাসে করে জেতে সময় লাগে ৩ থেকে ৪ ঘনটা, আমি বাইক নিয়ে সেখানে ২ ঘন্টার মদ্ধে পৌছে গেছি😀।  কিন্তু একি এতো সুন্দরী একটা মেয়ে, আমি জিবনেও এতো সুন্দর মেয়ে দেখি নাই। গাল গুলো কি সুন্দর আহহা😍, চোখ দুটো তো নাহ আমি আর বলতে পারবোনা😘।  একি ঐ ছেলেটা আবার কোথায় থেকে আসলো। সালার জীবনের এতোগুলা বছর পার ...

{গল্প: হেড মাষ্টারের দুষ্টু মেয়ে }

  গল্প: হেড মাষ্টারের দুষ্টু মেয়ে জে এস সি পাশ করে আজ নতুন একটা স্কুলে ভর্তি হলাম অবশ্য আগে বাবা মার সাথে থাকতাম এখন ভাইয়ার কাছে আসলাম কারন স্কুল টা কাছে তাই | তো আজ প্রথম স্কুলে গেলাম ক্লাসে ঢুকবো তখনি দেখি কে যানো আমাকে লেং মেরে ফেলে দিছে তখন থাপ্পর দিতে যাবো তখনি দেখি এটা আর কেও না একটা মেয়ে দেখছি হাসছে আর মেয়ে টাও অপূরুপ সুন্দর মনে হলে এক মায়াবতী দূর এই সব চিন্তা করে লাভ নাই তো দেখি মেয়েটা বলতেছে- মেয়ে: এই ছেলে চোখে দেখিস না ? আমি অবাক হয়ে গেলাম কার প্রশ্ন কাকে বলার কথা সে আমাকে বলতেছে তখন আমি বল্লাম- আমি: আজব তো আপনি তো আমাকে লেং মেরে ফেলে দিছেন ? মেয়ে: এই তুই দেখছিস আমি তোকে ফেলে দিছি ? আমি: না আল্লাহ তো আমাকে কানা বানিয়ে দুনিয়া পাঠাইছে কিছু তো দেখি না | দেখি আমার কথা শুন হাসতেছে পরে বল্লো----> মেয়ে: এই তোর সাহস তো কম না বড়দের সাথে এইভাবে কথা বলস ? আমি: বড় মানে আর আপনি এইভাবে তুই তোকারি ভাবে কথা বলতেছেন কেনো? মেয়ে: কি তোর কত্ত বড় সাহস আমার সাথে এরকম ভাবে কথা বলিস তুই আমাকে চিনিস আমি কে ? আমি: কেনো আপনি কি প্রধানমন্ত্রীর মেয়ে নাকি যে ভালোভাবে কথা...

গল্পঃ- রোমান্টিক বুড়ো বর।🤣 সেরা একটি রোমান্টিক গল্প। পড়ুন আর গল্পের মধ্যে হারিয়ে যান।😊

গল্পঃ রোমান্টিক বুড়ো বর।🤣😂 আজ বাবার জিদের কারনে নিজের জীবন শেষ বললেই চলে। তার কারণ হচ্ছে আমার সদ্য বিবাহ করা বুড়ো স্বামি  হ্যাঁ আজ আমার বিয়ে , আমি তুলি সবাই ভালোবেসে তুলিমনি বলে ডাকে ,আমার বয়স ১৯। ইন্টার পাশ করে অনার্স ফার্স্ট ইয়ার । আর আমার স্বামী পারভেজ আলম ,বয়স ৩৯😠, চাকরি করে, এখন বুঝলেন তো কেনো বললাম আমার জীবন শেষ , সব হয়েছে আমার নিজের আপন বাবার কারণেই , মা অনেক বার বুঝিয়েছে বাবাকে এই বিয়ে না দেওয়ার জন্য, কিন্তু বাবার এক কথা ছেলেদের বয়স কোনো বিষয় না তার চেয়ে বড় কথা ছেলে ভালো , ছেলের মা -বাবাও নেই ,দুই বোন তাদের ও বিয়ে দিয়ে দিয়েছে, দুই বোন ছাড়া কেউ নেই ,তাই আমি চাই আমরায় ওর বাবা মা হয়ে ওর শূন্যতা পূরণ করে দি। কিন্তু আপনার মেয়ে তো বলছে এই বিয়ে করবে না ও করবে ওর বাপ ও করবে , এ নিয়ে আর একটা কথা যদি বলতে হয় তাহলে কিন্তু খুব খারাপ হবে বাবার কথা তখন মা ও দমে যায় , আমার এতো না বলার পরের আজ আমার বিয়ে হয়ে গেলো এই বুইড়াটার সাথে। আমার দুই ননদ মিসু ও নিসু ,মিসু বড় আর নিসু ছোট । আমার ননদরা একটা ফুলের সাজানো ঘরে আমাকে বসিয়ে রেখে বিভিন্ন মজা করছে , কিন্তু সত্যি...