সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

গল্প: ১০ দিনের বউ { ২ পর্ব }

গল্প: ১০ দিনের বউ
(২য় পার্ট)

অনেকক্ষন ধরে বাইক নিয়ে নূপুরের জন্য অপেক্ষা করছি.....
এমনিতেই এতো রোদ.... তার উপর আরেক চিন্তা.... ধ্যত ভাল্লাগেনা...
তখন থেকে ফোন দিচ্ছি, ফোনটাও রিসিভ করছেনা.... ধুর
একটু পর মহারাণী আসলেন....
-কি রে তোর চুল কাটিস না কেন? (আমার চুলে টান দিয়ে)
-আউ... আমার ইচ্ছা...
-জিএফ কাটতে নিষেধ করসে বুঝি?

-হ করসে... এতো দেরি করলি কেন! পেত্নির পেত্নি........ (আমি)
-ও এটাও আমার ইচ্ছা..... (নূপুর)
-কপি করছিস!
-আমার ইচ্ছা....

-না তোর ইচ্ছা চলবে না.....
-আচ্ছা তাহলে আমি যাচ্ছি....
-ইসস কই যাস! দেখি বাইকে উঠ...
-এখন না বললি আমার ইচ্ছা চলবে না!
-ইস ভুল হয়ে গেছে রে মা... মাফ চাইছি... এখন তো উঠ.....
-হুম্মম্ম... রামছাগল... (আমার চুল এলোমেলো করে দিয়ে)
-রামছাগলনি.... উঠ এখন....
-উঠছি তো.. এতো তাড়া কিসের?

-আহা তুই যদি বুঝতি রে......(বিড়বিড় করে)
-কিছু বললি?
-না কিছু না তো উঠ....
-হুম....

তারপর নূপুরকে নিয়ে এক রেস্টুরেন্টে গেলাম......
একটা টেবিলে আমি আর নূপুর মুখোমুখি বসলাম...
-নে কি খাবি অর্ডার দে....(আমি মেনু কার্ড এগিয়ে দিয়ে বললাম)
-তোকে আজ অদ্ভুত অদ্ভুত লাগছে... (নূপুর)
-কেন?
-কেমন জানি....
-আরে না না.... তেমন কিছু না তো... তোর যা যা খেতে ইচ্ছে হয় অর্ডার দে...
-ঘামছিস কেন তুই?
-কই... ও গরমের দিন ঘামবোই তো...

-হারামজাদা এখানে এসি লাগানো...
-এতো দিকে নজর কেন তোর.... অর্ডার দিতে বলেছি, অর্ডার দে শাকচুন্নি....
-আমার তো কেমন জানি সন্দেহ হচ্ছে.....(আস্তে আস্তে)
-কি
-না কিছু না....

-আচ্ছা অর্ডার দে....
-হুম..
বেশ কিছুক্ষণ পর....
আমাদের খাওয়া প্রায় শেষ হয়ে এসেছে....
-নূপুর সোনা..... (আমি)
-কি.. (নূপুর)
-ইয়ে একটা কথা ছিলো....
-হ্যা এটাই এতোক্ষন ধরে ভাবছিলাম...

-আসলে হয়েছে কি....
-হ্যা বল্
-ঐ আমার বউ হবি?
-What!!!!!! মানে কিহহহহ!!!!!
-মানে তোকে আমার বউ হতে হবে.......
-আমার কি খেয়ে দেয়ে কোনো কাজ নেই নাকি তোর মতো ছাগলের বউ হতে যাবো!
-আরে প্লিজ না করিস না... এখন তুই ছাড়া আমার কাছে বউ হওয়ার মতো কেউ নেই......
-কেন তোর জিএফকে গিয়ে বল্
-কিসের জিএফ.....

-যার তোর এই চুলগুলা খুব ভালো লাগে...
-ধ্যত ঐটা তো এমনি রাগের মাথায় বলেছি..
-কি?

-জিএফ নেই.. আর আমার জিএফ থাকলে তোকে বলবো এটা কি হতে পারে নাকি... তোর বিএফ আছে নাকি?
-না
-তাহলে তো ভালোই হলো.... এখন আমার বউ হয়ে যা....
-ঐ বউ হওয়া কি চারটি খানি কথা নাকি.....
-আরে আমি কি তোকে সত্যি সত্যি বউ হতে বলেছি নাকি...
-তাহলে?

-শুধু ১০ দিনের জন্য হলেই হবে.....
-মানে!
-মানে আগামী ১০দিন তোকে আমার বউ এর অভিনয় করতে হবে......
-কেন?
তারপর নূপুরকে সব খুলে বললাম......
-বুঝলি তো? এখন হয়ে যা না আমার বউ... প্লিয.... (আমি)
-এএএহহ... তোর থাকার জন্য আমি কেন তোর বউ হতে যাবো! আর আমিও তো হোস্টেলে থাকি নাকি! এই ১০দিন আমি ওখানে না থেকে তোর সাথে থাকবো!!! Impossible.....
-আরে এখন আমাকে একমাত্র তুই ই হেল্প করতে পারবি...

-যদি না করি?
-না করলে এতোক্ষন যা যা খেলি সব বের কর... একদম খাবার গুলা খাওয়ার আগে যেরকম ছিলো ঐরকম...
-ধ্যত পিচ্চিদের মতো করছিস কেন.. এটাও কি সম্ভব নাকি....
-প্লিজ রাজি হয়ে যা না..... ১০টা দিনেরই তো ব্যাপার!
-আরে এই ১০দিন পর কি হবে?
-তারপর তো আমি সিলেট ই চলে যাবো....
-ঐ কেন?

-কি কেন
-চলে যাবি কেন? ঢাকা থাকবি না...
-আরে বললাম ই তো... ওখানে ট্রান্সফার হইসে.
-বুঝলাম.. তো তোর বউ হয়ে আমার লাভ কি?
-এই ১০ দিন তুই যা বলবি, আমি তাই করব... তোর সম্পূর্ণ খরচ আমি চালাবো নে... একদম বউ এর মতো পালবো তোকে... তবুও তুই প্লিজ রাজি হয়ে যা.
-পালবি মানে? আমি কি গরু-ছাগল নাকি যে পালবি বলছিস...
-আরে না না সোনামণি আমার.. তুই তো কত্তো কিউট একটা মাইয়া... তোকে কি এসব বলতে পারি.
-হইসে আর হাওয়া দেওয়া লাগবো না... সারাজীবন তো এসবই ডেকেছিস!
-এখন প্লিজ রাজি হয়ে যা.. তুই না আমার বেস্ট ফ্রেন্ড...

-আচ্ছা আচ্ছা ঠিক আছে.... কিন্তু এরকম করা কি ঠিক হবে? কেউ যদি জেনে যায় এটা নাটক, তাহলে তো..
-আরে না না.. ঐদিকে তোকে আর আমাকে চেনার মতো তেমন কেউ নেই... তোর শুধু বউ বউ অভিনয় করলেই চলবে.
-ঠিক তো?
-হুম... তাহলে রাজি তো তুই?
-হুম... আমার সব কথা শুনতে হবে কিন্তু.... তাহলেই রাজি আছি
-আচ্ছা ঠিক আছে ঠিক আছে..
-হুম
-তাহলে কালকে তোর হোস্টেল থেকে ১০দিনের জন্য চলে আসিস...
-হুম....
-আমার লক্ষ্মী বেস্টুউউউ......
-হইসে নে এখন খাবারটা শেষ কর্

-হুম....
খাওয়া দাওয়া শেষ করে নূপুরকে ড্রপ করে আমিও মেসে চলে গেলাম.
আহ... কতো শান্তি... এখন আর কোনো ঝামেলা নাই....
কাল সকালে নতুন বাসায় গিয়ে উঠবো.... মেসের মালিককেও বলে এলাম সেটা.
ঐদিন রাতে বেশ আরামের একটা ঘুম দিলাম.........
পরদিন যথারীতি আমি আর নূপুর ঐ নতুনবাসায় গিয়ে Settled হলাম.....
-তোমরা চলে এসেছো?? (মালিক)
-জ্বি আংকেল.. এ হলো আমার বউ.. (আমি)

নূপুর এগিয়ে গিয়ে আংকেলকে প্রণাম করলো..
-থাক থাক মা তোমার নাম কি?
-নূপুর
-ভালো.. আচ্ছা বাবা তোমার নাম তো জানা হলো না
-আংকেল আমি হৃদয়..
-আচ্ছা তোমরা উপরে যাও আমি উপরতলা খুলেই রেখেছি.
-ঠিক আছে...
আমি আর নূপুর সিঁড়ি দিয়ে উপরে উঠছি... সাথে আংকেল ও আসছেন রুম
 দেখিয়ে দেওয়ার জন্য....

বাসার চারিদিকের পরিবেশ ভালোই.. আর মালিকের ব্যবহারও খুউব ভালো লাগলো.
আংকেল একে একে সব দেখিয়ে দিলো....
একটা বেডরুম, পাশেই রান্নাঘর আর একটা Attached বাথরুম... দুইদিকে দুইটা Balcony আছে...
আংকেল আমাদের ফ্রেস টেস হতে বলে চলে গেলেন.
আংকেল চলে যাওয়ার পরই নূপুর আমার কাছে এসে দুই হাত দিয়ে কলার টেনে ধরলো..
-হারামজাদা তুই না বলেছিলি একদম পারফেক্ট বাসা!!
-হ্যা ঠিকই তো বলেছি!! কেন সুন্দর না?
-সবই খুব ভালো কিন্তু বেডরুম একটা কেন!!! I mean একটা খাট
 কেন!!
- Husband-Wife তো একই সাথে ঘুমায় নাকি...
-থাকুক গা.... কিন্তু আমরা তো আর সত্যি সত্যি বর-বউ না!
-সত্যি সত্যি হলে প্রবলেম আছে?
-কি?

-না কিছু না...
-শোন্ আর যাই হোক আমি তোর সাথে এক রুমে একই বেডে ঘুমাতে পারবো না..
-তো তুই গিয়ে কিচেনে বা বাথরুমে ঘুমিয়ে পড়িস....
-What!!! তুই গিয়ে ঘুমা গা...

-আমি কেন ঘুমাবো.. আমার তো কোনো সমস্যা নেই..
-শোন ফাযলামি করবি না... বেড যেহেতু একটা ই তো তুই হয় ফ্লোরে ঘুমাবি না হয় সোফাতে ঘুমাবি....
-আমি পারবো না.. তুই ঘুমাইস....
-কেন পারবি না...? আমি যখন বলেছি তো তোকে ঘুমাতেই হবে.

-কেন..!
-কেন মানে! তুই তো বলেছিস এই ১০দিন আমার সব কথা শুনবি..
-তো?
-তো মানে? আচ্ছা শুনবি না তো? আচ্ছা তাহলে আমি আংকেল কে গিয়ে সব সত্যি বলে দিচ্ছি এন্ড আমি নিজেও চলে যাবো....
-ইসসস শুনবো না বলেছি নাকি..... blackmail করিস কেন!
-কথা না শুনলে এরকম ই করবো....

-আচ্ছা আচ্ছা এখন কলার ছাড়...
-হুম.... (কলার ছেড়ে)
--আচ্ছা এখন রুমটা একটু পরিষ্কার কর্... ধুলো জমে আছে.. রুমটা নিজেদের মতো গুছাতে হবে তো....
-আমি একা করবো নাকি?
-না না আমিও তো করবো....
-আচ্ছা তুই ঐদিক কর্, আমি এদিক করছি...
-আচ্ছা...
বেশ কিছুক্ষন পর... ঘর গুছানো প্রায় শেষ...
ঘরের এদিক ওদিকে তাকালাম.. বাহ বেশ ভালোই গুছিয়েছি.. আহ... একটা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে নূপুরের কাছে গেলাম...
দেখি ও টুলে উঠে একটা ডোরবেল লাগাচ্ছে..... আমি ওর কাছে দাঁড়িয়ে দেখতে লাগলাম... হঠাৎ নূপুরের কাছে একটা টিকটিকি দেখে আমি বলে উঠলাম.

-ঐ পেত্নি... তোর কাছে টিকটিকি.
-আ আআআ... কই..
নূপুর এদিক সরতে গিয়ে টুল থেকে ওর পা পিছলে গেলো..
আমি এক হাত দিয়ে ওর কোমর আর অন্য হাত দিয়ে ওর এক হাত ধরলাম... নূপুর এক হাত দিয়ে আমার গলা জড়িয়ে ধরলো....
নূপুর ভয়ে চোখ বন্ধ করে আছে....
একটু পর ও আস্তে আস্তে চোখ মেলে তাকালো....
তাকিয়ে দেখে আমি অকে এভাবে ধরে ওর দিকে তাকিয়ে আছি....
নূপুর ও কিছুক্ষন অবাক চোখে আমার দিকে তাকিয়ে থাকলো....
তারপর হঠাৎ করেই ও সোজা হয়ে উঠে আমাকে ওর থেকে ছাড়িয়ে নিলো...
-ঐ তুই আমাকে এভাবে ধরলি কেন?
-আজব... আমি না ধরলে তো তুই পড়েই যেতি...

-পড়ে গেলে যেতাম.. তাতে তোর কি.. এভাবে ধরতে হবে নাকি...
-এএএহ... পড়ে গিয়ে যদি কোমরটা ভেঙে যেতো তাহলে তো আমারই চিকিৎসা করাতে হতো. নাকি!
-তো তুই ই তো করাবি... কারণ তুই ই আমাকে বউ করে এনেছিস
-হ্যা একটা আজাইরা ঝামেলা এনেছি দেখছি.... (বিড়বিড় করে)
-কিছু বললি?
-না রে মা কিছু না....
-হুম্মম
-আর শোন্ এভাবে তুই তুই করে বলবি না.. এখন থেকে আমি তোর বর. তো আমাকে তুমি তুমি করে বলবি.. কেউ শুনলে প্রবলেম হতে পারে.. বুঝেছিস?
-এএএএএহ.. তুমি তুমি করে বলবি! ঢং.... আমিও তো তোর বউ.. আমাকে কেন তুই তুই করে বলছিস....
-আমিও তো তুমি তুমি করেই বলবো....
-তাহলে ঠিক আছে......
এমন সময় দরজায় কেউ নক করলো.

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

গল্পঃ 💚💚 খালাতো বোন যখন বউ। 💚💚💚

গল্পঃ খালাতো বোন যখন বউ। 💚 এই মাত্র বাসায় আসলাম। আজকে মাথার ওপর দিয়ে অনেক ধকল গেছে। মা: ফারুক এদিকে আয়।  তোকে আমি কি বলছিলাম, তুই আমার কথা কেন শুনিস না। আজকে এই মুহুর্তে তুই  তোর খালার বাসায় জাবি  আমি : না মানে আম্মু  মা : না মানে  কি জাবি কি না তুই?  আমি :জাবো তো যাব। (হাফ ছেরে বাঁচলাম) তার পর আরকি বেরিয়ে পরলাম খালামনিদের বাসার উদ্দেশ্যে ।আমার পরিচয় টা দিয়ে নেই, আমি মোঃ ওমর ফারুক। বয়স ১৭, ক্লাস ১০ এ পরি।বাট নাম মাত্র স্কুল😀। সারা বসরে মাত্র ২ দিন স্কুল এ গেছি তাও আবার শুধু মাত্র ফি জমা দেয়ার জন্য। সারাদিন শুধু মারামারি ফাটাফাটি এই সব করে দিন কাটে।  ভাবচেন কেন 🤔আসলে আমার ভাই রাজনৈতিক দলের অনেক বড়ো নেতা। তাই আমি একটু এরকমি। বাস্তবে ফিরে আসি খালামনির বাসায় বাসে করে জেতে সময় লাগে ৩ থেকে ৪ ঘনটা, আমি বাইক নিয়ে সেখানে ২ ঘন্টার মদ্ধে পৌছে গেছি😀।  কিন্তু একি এতো সুন্দরী একটা মেয়ে, আমি জিবনেও এতো সুন্দর মেয়ে দেখি নাই। গাল গুলো কি সুন্দর আহহা😍, চোখ দুটো তো নাহ আমি আর বলতে পারবোনা😘।  একি ঐ ছেলেটা আবার কোথায় থেকে আসলো। সালার জীবনের এতোগুলা বছর পার ...

{গল্প: হেড মাষ্টারের দুষ্টু মেয়ে }

  গল্প: হেড মাষ্টারের দুষ্টু মেয়ে জে এস সি পাশ করে আজ নতুন একটা স্কুলে ভর্তি হলাম অবশ্য আগে বাবা মার সাথে থাকতাম এখন ভাইয়ার কাছে আসলাম কারন স্কুল টা কাছে তাই | তো আজ প্রথম স্কুলে গেলাম ক্লাসে ঢুকবো তখনি দেখি কে যানো আমাকে লেং মেরে ফেলে দিছে তখন থাপ্পর দিতে যাবো তখনি দেখি এটা আর কেও না একটা মেয়ে দেখছি হাসছে আর মেয়ে টাও অপূরুপ সুন্দর মনে হলে এক মায়াবতী দূর এই সব চিন্তা করে লাভ নাই তো দেখি মেয়েটা বলতেছে- মেয়ে: এই ছেলে চোখে দেখিস না ? আমি অবাক হয়ে গেলাম কার প্রশ্ন কাকে বলার কথা সে আমাকে বলতেছে তখন আমি বল্লাম- আমি: আজব তো আপনি তো আমাকে লেং মেরে ফেলে দিছেন ? মেয়ে: এই তুই দেখছিস আমি তোকে ফেলে দিছি ? আমি: না আল্লাহ তো আমাকে কানা বানিয়ে দুনিয়া পাঠাইছে কিছু তো দেখি না | দেখি আমার কথা শুন হাসতেছে পরে বল্লো----> মেয়ে: এই তোর সাহস তো কম না বড়দের সাথে এইভাবে কথা বলস ? আমি: বড় মানে আর আপনি এইভাবে তুই তোকারি ভাবে কথা বলতেছেন কেনো? মেয়ে: কি তোর কত্ত বড় সাহস আমার সাথে এরকম ভাবে কথা বলিস তুই আমাকে চিনিস আমি কে ? আমি: কেনো আপনি কি প্রধানমন্ত্রীর মেয়ে নাকি যে ভালোভাবে কথা...

গল্পঃ- রোমান্টিক বুড়ো বর।🤣 সেরা একটি রোমান্টিক গল্প। পড়ুন আর গল্পের মধ্যে হারিয়ে যান।😊

গল্পঃ রোমান্টিক বুড়ো বর।🤣😂 আজ বাবার জিদের কারনে নিজের জীবন শেষ বললেই চলে। তার কারণ হচ্ছে আমার সদ্য বিবাহ করা বুড়ো স্বামি  হ্যাঁ আজ আমার বিয়ে , আমি তুলি সবাই ভালোবেসে তুলিমনি বলে ডাকে ,আমার বয়স ১৯। ইন্টার পাশ করে অনার্স ফার্স্ট ইয়ার । আর আমার স্বামী পারভেজ আলম ,বয়স ৩৯😠, চাকরি করে, এখন বুঝলেন তো কেনো বললাম আমার জীবন শেষ , সব হয়েছে আমার নিজের আপন বাবার কারণেই , মা অনেক বার বুঝিয়েছে বাবাকে এই বিয়ে না দেওয়ার জন্য, কিন্তু বাবার এক কথা ছেলেদের বয়স কোনো বিষয় না তার চেয়ে বড় কথা ছেলে ভালো , ছেলের মা -বাবাও নেই ,দুই বোন তাদের ও বিয়ে দিয়ে দিয়েছে, দুই বোন ছাড়া কেউ নেই ,তাই আমি চাই আমরায় ওর বাবা মা হয়ে ওর শূন্যতা পূরণ করে দি। কিন্তু আপনার মেয়ে তো বলছে এই বিয়ে করবে না ও করবে ওর বাপ ও করবে , এ নিয়ে আর একটা কথা যদি বলতে হয় তাহলে কিন্তু খুব খারাপ হবে বাবার কথা তখন মা ও দমে যায় , আমার এতো না বলার পরের আজ আমার বিয়ে হয়ে গেলো এই বুইড়াটার সাথে। আমার দুই ননদ মিসু ও নিসু ,মিসু বড় আর নিসু ছোট । আমার ননদরা একটা ফুলের সাজানো ঘরে আমাকে বসিয়ে রেখে বিভিন্ন মজা করছে , কিন্তু সত্যি...