গল্প: ম্যাডামের মেয়ে যখন বউ
পর্ব-৫
--আমি: কি ব্যাপার এতে দিন কই ছিলে কোনো খোজ খবর ছিলো নাহ??
তিশা- আর বলো নাহ আমি খুব অসুস্থ ছিলাম তাই এই কইদিন আসতে পারি নাই।
আমি- তাহলে তোমার ফোন অফ ছিলো কেনো??
তিশা- ফোনে কি যেনো সমস্যা হয়েছে অন হচ্ছে না...
আমি- তাহলে তোমার আম্মুর নাম্বার দিয়ে আমাকে ফোন করে জানিয়ে দিতে।
তিশা- আমি কি তোমার নাম্বার মুখস্ত করে রেখেছি নাকি,,তোমার নাম্বার তো আমার ফোন সেইভ করা।
আমি- এখন সুস্ত আছো তো?
তিশা- হ্যা ভালো আছি তুমি কেমন আছো??
আমি- কোনো রকম আছি আর কি...
তিশা- কোনো রকম মানে কি হয়েছে তোমার বলো আমায় প্লিজ বলো।
আমি- কিছু হয়নি,,
তিশা- কিছু একটা হয়েছে তোমাকে দেখেও মনে হচ্চে তোমার মধ্যে কিছু একটা চলছে।
আমি- সত্যি আমার কিছু হয়নি।
কিন্তু কোনো একজনকে খুব মিস করছিলাম।
তিশা* কাকে শুনি( কিছুটা অবাক হয়ে)
আমি- যাকে ভালোবাসি তাকে আমার কথা শুনে...
তিশা- ওই ফাজিল হারমজাদা বিলাই কুত্তা একদম মেরে ফেলে দিবো ভালোবাসার কথা বললে।
আমি- কেনো শুনি..
তিশা- কারন আছে তুই তো পিচ্চু তাই তুই জানিস না।আগে বড় হবি তারপর বলবো।
আমি- আমি বড় হয়ে গেছি এখন বলো প্লিজ।
তিশা- না বলবো নাহ।
আমি- আচ্ছা না বললে আমি কিছু কথা বলতে চাউ জানিনা তুমি কথা গুলো কিভাবে নিবে কিন্তু কথা গুলো বলা দরকার তাই বলবো।
তিশা- হ্যা বল কি বলবি।তবে যদি অন্য কোনো মেয়েকে নিয়ে কোনো কথা বলিস তবে তোর খবর আছে.... এই বলে দিলাম।
আমি- আমি ভালোবাসি...
তিশা- কাকে...
আমি- যে আমার সাথে কথা বলছে তাকে....
তিশা-- আমি ছাড়া তো এখন আর অন্য কেও কথা বলছে না।
আমি- আমি অন্য কারোর কথা বলছি নাহ।
আমি তোমাকেই ভালোবাসি অনেক বেশি ভালোবাসি।
তিশা* কি বললি তুই ,তুই আমার সাথে এমনটা করতে পারলি।
আমি- কি করেছি তোর সাথে হুম?
তিশা- তুই আমাকে ভুলে যা।আমি তোকে ভালোবাসতে পারবো না।
আমি- কিন্তু আমি তো তোকে খুব বেশি ভালোবাসিরে,,খুব একা লাগে তোকে ছাড়া থাকবো কিভাবে।
তিশা- আমি সেটা জানিনা ভালাোবাসতে পারবো না আমি।
আমি- তাহলে আমাকে ভালোবাসবি না??
তিশা- না..
এরপর আমি মাথানিচু করে চলে যেতে লাগলাম কিভবে দাড়াবো তিশার সামনে?
তাই মাথা নিচু করে চলে যাচ্ছি পেছন থেকে কে জেনো হাত টেনে ধরছে।তাকিয়ে দেখি তিশা আমার হাত ধরে রেখেছে।কি ব্যাপার আমার হাত ধরেছিস কেনো??
তিশা- তুই গাধা তাই তুই বুঝবি না।
কিন্তু আমার এখন কিছু একটা চাই বল দিবি।
আমি- হ্যা বল কি চাস?
তিশা- আমাকে প্রপোজ কর...
আমি- I love you tirsha....
তিশা-- গাধা এউ ভাবে না অন্যভাবে,,
আমি- কিভাবে করবো আমি তো অন্যভাবে পারি না।
তিশা- প্লিজ একটু চেষ্টা কর এরপর।
আমি- এই মেয়ে শুনো আমার মেয়ের আম্মু হবে, মানে অনুর আম্মু হবে,
আমার ঘরের ঘরনি হবে।
তিশা- এটা কেমন প্রপোজ .. যাই ভালো হয়েছে।
তবে অনু কে??
আমি- আরে বিয়ের পর আমাদের যে মেয়ে হবে তার নাম রাখবো অনু,
তিশা- বাহ বাহ এতদূর ভাবা হয়ে গেছে,
হ্যা আমি অনুর আম্মু হতে রাজি,,
আমি- তাহলে চলো বিয়ে করবো।
তিশা- নাহ এখন না,আগে এক্সাম দিবো তারপর।
আমি- তাহলে চলো এখন ঘুরে বেড়াবো।
তিশা- না এখন ক্লাসে যাবো ক্লাস করবো।
আমি- কিন্তু আমার তো তোমার সাথে ঘুরতে যেতে ইচ্ছে করছে।
তিশা- খুব ইচ্ছা করছে বুঝি??
আমি- হ্যা অনেক ইচ্ছে করছে..
তিশা- তাহলে চলো ঘুরে আসি
আমি- হ্যা জানু চলো।( খুশিতে লুঙ্গী ড্যান্স দিবো)
তিশা আর আমি একটা রিকশা নিয়ে বের হলাম।
রিকশাতে আমি তিশার থেকে একটু দূরত্ব বসছিলাম।আমার কেমন জানি লাগছিলো তিশার দিকে তাকাতেও পারছিলাম না।কিন্তু অন্য রকম একটা প্রশান্তি কাজ করছে মনের মাঝে।আমি আর তিশা একটা নদীর ধারে এসে নামলাম।
আমি আর আমার হারামি ফ্রেন্ড গুলা মাঝে মাঝে এখানে আসতাম।এই প্রথম কোনো মেয়ের সাথে ঘুরতে আসলাম।আমি আর তিশা একটা জায়গাই গিয়ে বসলাম তবে আমি তিশার থেকে একটু দূরে বসলাম।
তিশা আমাকে জিজ্ঞেস করেছিলো আমি দূরে বসছি কেনো??
আমি- এমনি..
তিশা- একটু কাসে এসে বসো না প্লিজ।
আমি- আমার কেমন জানি লাগে?
তিশা- অই ফাজিল কেমন লাগে মানে,
এক্কেবারে মেরে ফেলবো কাছে আয় বলছি।
আমি- কিন্তু, আর কিছু বলতে পারলাম নাহ তিশা টান দিয়ে আমাকে তার কছে নিয়ে গেলো।
তারপর বললো তোমার কি কিছু ইচ্ছা করছে না।
আমি- কি ইচ্ছা করবে?
তিশা- কেনো কিছুই ইচ্ছা করছে নাহ?
আমি- না তো।
তিশা- হায় আল্লাহ এ তুমি আমাকে কেমন ছেলের সাথে পাঠালে তার নাকি কিছু করতেই ইচ্ছা করে না।কিন্তু আমার ইচ্ছা করছে।
আমি- কি ইচ্ছা করছে বলো?
তিশা- তুমি আমার কোলে মাথা রাখবে আর আমি আদর করে দিবো।জানো আমার অনেক দিনের ইচ্ছা আমি অনেক আগে থেকেই তেমাকে ভালোবাসি।
আমি- তাহলে বললে না
কেনো?
তুশা- তুমি জানো না মেয়েদের বুক ফাটে তবু মুখ ফুটে নাহ।
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন