সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

গল্প::অবশেষে ম্যামের প্রেমে পড়লাম পর্ব:: ৪ [শেষ]


গল্প::অবশেষে ম্যামের প্রেমে পড়লাম

পর্ব:: ৪ [শেষ]


ম্যামের বাসায় গিয়ে পড়লাম মহা বিপদে
ম্যামের এক কথা সারাক্ষন বই পড়তে হবে আর
আমার সাথে করে কলেজে যাওয়া আশা করতে
হবে।আমি বললাম আপনার সাথে কলেজে
গেলে আমার বন্ধুরা কি মনে করবে বলেনতো।
আর বিশেষ করে আপনার বাবা মানে আমাদের
প্রিন্সিপাল সার কি মনে করবেন।

ম্যাম::বাবাকে নিয়ে তোমাকে ভাবতে হবে
না।বাবার কথায় তোমাকে আমাদের বাসায়
এনেছি।
আমি::মানে?

ম্যাম::মানে খুব সোজা।বাবা তোমার আর
আমার বিষয়ে সব জানে।
আমি::কি বলছেন এসব?
ম্যাম::যেদিন তোমার বন্ধুদের বলেছিলাম
তোমাকে না নিয়ে আসলে আমি প্রায়ভেট
পড়াবো না।সেদিন বাবা আমার সব কথাগুলো
শুনে ফেলে।
আমি::তারপর?
ম্যাম::তারপর বাবা আমাকে বলেছিল
রনিকে তুমি কি পড়াবে মা ওতো
ইংরেজিতে জিনিয়াস।তখন আমি বাবাকে
বলেছিলাম আমি রনিকে ভালোবেসে
ফেলেছি প্রথম দেখায়।আর বাবাও মেনে
নিয়েছেন কারন ছেলে হিসেবে তুমি অনেক
ভালো।


তারপর আমরা যে শিক্ষা সফরে গেলাম
সেটাও আমার বাবার প্লান মোতাবেক।বাবা
চেয়েছিল তোমাকে নিয়ে আমি একটু বাহিরে
কোথাও ঘুরে আসি কিন্তু সেটা সম্ভব হতো না
কারন তুমি আমার স্টুডেন্ট আর আমি তোমার
ম্যাম।তোমার সাথে আমার ঘুরতে যাওয়া কেউ
মেনে নিত না।তাই বাবা কলেজের সবাইকে
নিয়ে শিক্ষা সফরের আয়োজন করলেন।যাতে
তুমি আমি একসাথে ঘুরতে পারি। শিক্ষাসফরে
এসে তোমার সাথে ঘোরাঘুরি করলে কেউ
কিছু মনে করত না।কিন্তু দেখো আমার কি
কপাল তুমার সাথে শিক্ষাসফরে ভালোভাবে
সময়টা কাটাতে পারলাম না।
আমি::তাহলে সবকিছুই আপনার আর আপনার
বাবার প্লান।

ম্যাম::হ্যা।
আমি::তাহলে সেদিন রাতে আমার সাথে
আপনি যেটা করেছেন সেটাও কি আপনার
বাবার প্লানের অংশ?
ম্যাম::এরকম কিছুই বাবা আমাকে বলেনি।তবে
আমি সফর থেকে এসে সবকিছু বাবাকে বলে
দিয়েছে।
আমি::আপনার মুখে কি কিছুই আটকায়না।
ম্যাম::যদি এইকথাটা বাবাকে না বলতাম
তাহলে তোমাকে কি চিরদিনের জন্য আমার
করে পেতাম?

আমি::চিরদিনের জন্য মানে?
ম্যাম::মানে আমার বাবা এখন তোমাদের
বাসায় আমার আর তোমার বিয়ের কথা বলতে
গেছে।আর আমার বিশ্বাস তোমার মা
আমাদের বিয়েতে রাজী হবেন।
আমি::কিন্তু ম্যাম আমার মা রাজী হলেও
আমি এই বিয়েতে রাজী নয়।মানে এখন বিয়ে
করতে পারব না।

ম্যাম::কেন কি সমস্যা আমাকে বিয়ে করতে।
আমি কি দেখতে খারাপ?
আমি::আমি সেটা বলিনি।আসলে আমি নিজের
পায়ে না দাড়ানো পর্যন্ত কোন সম্পর্কের
বাধনে জড়াতে চায় না।
ম্যাম::তুমার কোন কথা আমি শুনতে চায় না।
আমি আজই তোমাকে বিয়ে করতে চায়।কারন
তুমাকে ছাড়া আমি এই তিন দিন কিছু ভাবতেই
পারিনি কেননা আমার সবকিছু অনেক আগেই
তুমাকে দিয়েদিয়েছি।
আমি::আপনি যা বলবেন তা আমি শুনতে বাধ্য
নয়।কেননা ওই রাতের ঘটনাটা একটা দূর্ঘটনা
ছাড়া আর কিছুই না।

।তারপর আমাদের দুজনের মধ্যে কথা
কাটাকাটির এক পর্যায়ে ম্যাম আমাকে জোর
করে তার রুমে নিয়ে যা করল তা বলে বুঝাতে
পারব না। আমি কখনো কল্পনায় করিনি ম্যাম
এমন কাজ করতে পরে তাও আমার সাথে।সে
এক বিরাট ইতিহাস।নায় বা লিখলাম সেই
ইতিহাস।কিছু ইতিহাস অজানা থাকায় ভালো।
।।কিছুক্ষন পর ম্যামের বাবা আর আমার মা
একসাথে আসল। এসে যা বলল তাতে ম্যাম খুব
খুশি।

মা::রনি মোহনার সাথে আজ এইমাত্র
তোমার বিয়ে।
আমি::বিয়ে মানে সামনে আমার পরীক্ষা
তার কি হবে?
ম্যাম::হবে হবে সব হবে বিয়েও হবে আবার
পরীক্ষা ও হবে।
মা::কোন কথা শুনতে চায় না। এই নাও তোমার
বিয়েরপোশাক তাড়াতাড়ি পরে রেডি হয়ে
আসো।

তারপর মা আর ম্যাম অন্যরুমে চলে গেল শুধু
স্যার আমার সাথে কিছু কথা বলবে বলে
থেকে গেলেন।
স্যার::দেখ রনি আমার মেয়েটা খুব জেদি।
ওর কোন ইচ্ছা আমি অপূর্ণ রাখিনি।যানি
তোমার কাছে এই বিয়েটা করতে কেমন
লাগছে।আমি জানি কোন ছেলে তার
কলেজের ম্যাম এর সাথে কোনদিন বিয়ে
করতে চায়বেনা।তারপরেও ও যখন বলেছিল যে
তোমাকে ও ভালোবাসে। আমি ও খুব অবাক
হয়েছিলাম তারপরে আমার মেয়ের কথা

ভেবেই তোমাকে আমি মেনে নি কারন ছেলে
হিসেবেতো তুমি বরাবরই ভালো।দেখ রনি
আমার মেয়েটা কেমন তাতো তুমি ভালোই
জানো।ও তোমাকে অনেক ভালোবাসে।ওকে
তুমি কখনো কষ্ট দিওনা।
।এই বলে স্যার চলে গেলেন আর আমি বর
সেজে বিয়ে করার জন্য তৈরি হতে লাগলাম।
আসলে মোহনা ম্যাম কে ভালোবাসতে
চাইতামনা শুধু প্রিন্সিপাল সারের জন্য।কারন
উনি আমাকে খুব ভালোবাসতেন।আর আমি যদি
উনার মেয়ের সাথে প্রেম করতাম তাহলে উনি
শুনলে আমাকে খারাপ ছেলে ভাবত।


এখন উনিই বিয়ে করার জন্য বলে গেলেন তো
আর কি করার আমিও বিয়েটা করে নিলাম।


আজ আমার বাসর রাত। ম্যামকে বিয়ে করে
কেমন একটা ভালো লাগা কাজ করছে মনের
ভিতর।আবার ভয়ও করছে কারন যে মেয়ে
বিয়ের আগে আমার সাথে দুইবার ইয়ে করেছে
মানে ইতিহাস তৈরি করেছে।আর আজ তো
আমরা স্বামী-স্ত্রী তো আজ না জানি কি

ইতিহাস তৈরি করবে। এসব কথা ভাবতে ভাবতে
বাসর রুমে ঢুকলাম। রুমে ঢুকেই আমি অবাক
কেননা ম্যামকে আজ এত সুন্দর লাগছে আমি
তো পুরায় টাস্কি খেয়ে গেলাম।
তারপর আর কি বাসর ঘরের ইতিহাসতো সবারই
জানা নতুন করে আমি আর লিখতে চাচ্ছি না।
আপনারা বুঝে নিয়েন।

তবে হ্যা অবশেষে একটা কথায় শুধু বলব
অবশেষে ম্যামের প্রেমেই পড়লাম।
-----------সমাপ্ত--------





মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

গল্পঃ 💚💚 খালাতো বোন যখন বউ। 💚💚💚

গল্পঃ খালাতো বোন যখন বউ। 💚 এই মাত্র বাসায় আসলাম। আজকে মাথার ওপর দিয়ে অনেক ধকল গেছে। মা: ফারুক এদিকে আয়।  তোকে আমি কি বলছিলাম, তুই আমার কথা কেন শুনিস না। আজকে এই মুহুর্তে তুই  তোর খালার বাসায় জাবি  আমি : না মানে আম্মু  মা : না মানে  কি জাবি কি না তুই?  আমি :জাবো তো যাব। (হাফ ছেরে বাঁচলাম) তার পর আরকি বেরিয়ে পরলাম খালামনিদের বাসার উদ্দেশ্যে ।আমার পরিচয় টা দিয়ে নেই, আমি মোঃ ওমর ফারুক। বয়স ১৭, ক্লাস ১০ এ পরি।বাট নাম মাত্র স্কুল😀। সারা বসরে মাত্র ২ দিন স্কুল এ গেছি তাও আবার শুধু মাত্র ফি জমা দেয়ার জন্য। সারাদিন শুধু মারামারি ফাটাফাটি এই সব করে দিন কাটে।  ভাবচেন কেন 🤔আসলে আমার ভাই রাজনৈতিক দলের অনেক বড়ো নেতা। তাই আমি একটু এরকমি। বাস্তবে ফিরে আসি খালামনির বাসায় বাসে করে জেতে সময় লাগে ৩ থেকে ৪ ঘনটা, আমি বাইক নিয়ে সেখানে ২ ঘন্টার মদ্ধে পৌছে গেছি😀।  কিন্তু একি এতো সুন্দরী একটা মেয়ে, আমি জিবনেও এতো সুন্দর মেয়ে দেখি নাই। গাল গুলো কি সুন্দর আহহা😍, চোখ দুটো তো নাহ আমি আর বলতে পারবোনা😘।  একি ঐ ছেলেটা আবার কোথায় থেকে আসলো। সালার জীবনের এতোগুলা বছর পার ...

{গল্প: হেড মাষ্টারের দুষ্টু মেয়ে }

  গল্প: হেড মাষ্টারের দুষ্টু মেয়ে জে এস সি পাশ করে আজ নতুন একটা স্কুলে ভর্তি হলাম অবশ্য আগে বাবা মার সাথে থাকতাম এখন ভাইয়ার কাছে আসলাম কারন স্কুল টা কাছে তাই | তো আজ প্রথম স্কুলে গেলাম ক্লাসে ঢুকবো তখনি দেখি কে যানো আমাকে লেং মেরে ফেলে দিছে তখন থাপ্পর দিতে যাবো তখনি দেখি এটা আর কেও না একটা মেয়ে দেখছি হাসছে আর মেয়ে টাও অপূরুপ সুন্দর মনে হলে এক মায়াবতী দূর এই সব চিন্তা করে লাভ নাই তো দেখি মেয়েটা বলতেছে- মেয়ে: এই ছেলে চোখে দেখিস না ? আমি অবাক হয়ে গেলাম কার প্রশ্ন কাকে বলার কথা সে আমাকে বলতেছে তখন আমি বল্লাম- আমি: আজব তো আপনি তো আমাকে লেং মেরে ফেলে দিছেন ? মেয়ে: এই তুই দেখছিস আমি তোকে ফেলে দিছি ? আমি: না আল্লাহ তো আমাকে কানা বানিয়ে দুনিয়া পাঠাইছে কিছু তো দেখি না | দেখি আমার কথা শুন হাসতেছে পরে বল্লো----> মেয়ে: এই তোর সাহস তো কম না বড়দের সাথে এইভাবে কথা বলস ? আমি: বড় মানে আর আপনি এইভাবে তুই তোকারি ভাবে কথা বলতেছেন কেনো? মেয়ে: কি তোর কত্ত বড় সাহস আমার সাথে এরকম ভাবে কথা বলিস তুই আমাকে চিনিস আমি কে ? আমি: কেনো আপনি কি প্রধানমন্ত্রীর মেয়ে নাকি যে ভালোভাবে কথা...

গল্পঃ- রোমান্টিক বুড়ো বর।🤣 সেরা একটি রোমান্টিক গল্প। পড়ুন আর গল্পের মধ্যে হারিয়ে যান।😊

গল্পঃ রোমান্টিক বুড়ো বর।🤣😂 আজ বাবার জিদের কারনে নিজের জীবন শেষ বললেই চলে। তার কারণ হচ্ছে আমার সদ্য বিবাহ করা বুড়ো স্বামি  হ্যাঁ আজ আমার বিয়ে , আমি তুলি সবাই ভালোবেসে তুলিমনি বলে ডাকে ,আমার বয়স ১৯। ইন্টার পাশ করে অনার্স ফার্স্ট ইয়ার । আর আমার স্বামী পারভেজ আলম ,বয়স ৩৯😠, চাকরি করে, এখন বুঝলেন তো কেনো বললাম আমার জীবন শেষ , সব হয়েছে আমার নিজের আপন বাবার কারণেই , মা অনেক বার বুঝিয়েছে বাবাকে এই বিয়ে না দেওয়ার জন্য, কিন্তু বাবার এক কথা ছেলেদের বয়স কোনো বিষয় না তার চেয়ে বড় কথা ছেলে ভালো , ছেলের মা -বাবাও নেই ,দুই বোন তাদের ও বিয়ে দিয়ে দিয়েছে, দুই বোন ছাড়া কেউ নেই ,তাই আমি চাই আমরায় ওর বাবা মা হয়ে ওর শূন্যতা পূরণ করে দি। কিন্তু আপনার মেয়ে তো বলছে এই বিয়ে করবে না ও করবে ওর বাপ ও করবে , এ নিয়ে আর একটা কথা যদি বলতে হয় তাহলে কিন্তু খুব খারাপ হবে বাবার কথা তখন মা ও দমে যায় , আমার এতো না বলার পরের আজ আমার বিয়ে হয়ে গেলো এই বুইড়াটার সাথে। আমার দুই ননদ মিসু ও নিসু ,মিসু বড় আর নিসু ছোট । আমার ননদরা একটা ফুলের সাজানো ঘরে আমাকে বসিয়ে রেখে বিভিন্ন মজা করছে , কিন্তু সত্যি...